ঢাকা ১৪ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে: প্রশাসক একনেক সভায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু দেশে বছরে ২৪ হাজার মানুষের মৃত্যু কারণ অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি: তথ্যমন্ত্রী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্ল্যান্ট বসানোর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর এপ্রিলে ৫২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৫১০ জন নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২ চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

আদালতের সঙ্গে প্রতারণা: সেলিম চেয়ারম্যানকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ জুন, ২০২২,  2:06 PM

news image

আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করে ভিত্তিহীন রিট করার ঘটনায় চাঁদপুরের বহুল আলোচিত সেলিম চেয়ারম্যানকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রায় দেন। সেই সঙ্গে তার অন্য দুই সহযোগীকেও ২৫ লাখ করে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণের সুযোগে প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা লোপাট চেষ্টাকাণ্ডে বিতর্কিত ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান কর্তৃক উচ্চ আদালতে দায়ের করা রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এদিন রায়ের শুরুতে রিট প্রত্যাহার চান সেলিম চেয়ারম্যানের আইনজীবী। যা শুনে ক্ষুব্ধ আদালত বলেন হাইকোর্টের সঙ্গে প্রতারণা মেনে নেয়া হবেনা  চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ একর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সেলিম খানদের দাবি অনুযায়ী জমির মূল্য ৫৫৩ কোটি টাকা আসে। আর জেলা প্রশাসক যে প্রাক্কলন দিয়েছেন তাতে জমির মূল্য আসে ১৯৩ কোটি টাকা। এ বিষয়টি নিয়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে জুয়েল এবং ডিসেম্বর মাসে সেলিম খান পৃথক দুটি রিট করেছিলেন।  চাঁদপুর স্থানীয়  প্রশাসন সূত্র জানায়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণের জন্য লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের মেঘনাপাড়ের একটি এলাকা নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ৬২ একর ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করতে গিয়ে দেখা যায়, ওই ইউপির চেয়ারম্যান সেলিম খান তার ছেলেমেয়েসহ অন্যান্য জমির মালিকরা অস্বাভাবিক মূল্যে দলিল তৈরি করেন। ফলে ওই জমি অধিগ্রহণে সরকারের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫৩ কোটি টাকা।  জমির অস্বাভাবিক মূল্য দেখে সাবেক জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বিষয়টি তদন্ত করলে বেরিয়ে আসে সরকারের কয়েকশ’ কোটি টাকা লোপাট পরিকল্পনার তথ্য।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম