ঢাকা ১১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নিখোঁজের দুই দিন পর মধ্যরাতে ইপিজেডের ফটকের সামনে মিলল যুবকের লাশ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল বেশি, বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে কালি দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ৪ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর মক্কা-মদিনা ইস্যুতে কোনো ছাড় নয়, সৌদিকে যেকোনো সহযোগিতায় প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুর সময় পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দুই সিটির

‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ জুন, ২০২৬,  10:49 PM

news image

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সোমবার (১ জুন) থেকে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিন সকাল পৌনে ৮টার দিকে দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তাদের হাজির করা হয়। শুনানিকালে আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের সামনে নানা দাবি তুলে ধরেন, যেখানে তিনি নিজের আংশিক দোষ স্বীকার করলেও হত্যার দায় অন্য কারও ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকলেও শিশুটির মৃত্যু ঘটিয়েছে অন্য একজন, যাকে তিনি ‘ডলার’ নামে উল্লেখ করেন। তার দাবি, মিরপুর-১১ এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এবং তাকে অর্থ দেওয়া হয়েছিল। আদালত ও গণমাধ্যমের সামনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ডিএনএ পরীক্ষা না করেই প্রতিবেদনে ফলাফল যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন। সোহেল রানা বলেন,‘তিনি একা দায়ী নন এবং পুরো ঘটনার জন্য অন্য একজনকে দায়ী করেন, যাকে তিনি দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।’ শুনানি শেষে আদালত আগামীকাল (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন নির্ধারণ করেন। এর আগে সকালবেলা প্রিজন ভ্যানে করে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয় এবং পৃথক হাজতখানায় রাখা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। গত ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্র জমা দেন এবং আদালত তা গ্রহণ করে মামলাটি শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান। মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই ফ্ল্যাটের দুই বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কথাও উল্লেখ রয়েছে, যেখানে তিনি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানা যায়। মামলায় মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শিশুটির বাবা ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম