ঢাকা ১০ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নিখোঁজের দুই দিন পর মধ্যরাতে ইপিজেডের ফটকের সামনে মিলল যুবকের লাশ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল বেশি, বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে কালি দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ৪ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর মক্কা-মদিনা ইস্যুতে কোনো ছাড় নয়, সৌদিকে যেকোনো সহযোগিতায় প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুর সময় পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দুই সিটির

২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল বেশি, বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ অক্টোবর, ২০২৬,  4:48 PM

news image

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত বলেছেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ও মৃত্যু ছিল সবচেয়ে বেশি। ২০২০ ও ২০২১ সালেও পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। বর্তমান সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপে ডেঙ্গু অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।


শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি টিকাদান, ই-ট্র্যাকার ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।



খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, রাজশাহী বিভাগে কম জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে; তবে যথাযথ চিকিৎসা ও প্রকোপ কমাতে কাজ চলছে।


তিনি বলেন, আগে গণমাধ্যমে লেখালেখি হলে তবেই সরকার নড়েচড়ে বসত। এবার তিন মাস আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে কাজ শুরু হয়েছে। 


স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে নিয়ে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চলছে, ডেঙ্গু চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজার চিকিৎসক। অতীতের তুলনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার কম বলেও দাবি করেন তিনি।



হামের প্রকোপ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার টিকা না দেয়ায় পরিস্থিতি এ পর্যায়ে এসেছে। হাম করোনার চেয়েও বেশি সংক্রামক, একবার শুরু হলে থামানো কঠিন। তাই শত চেষ্টাতেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে, এ পর্যন্ত দুই কোটি শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে।



উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। বলেন, এসব কমপ্লেক্সে রোগ নির্ণয়ের সুবিধা থাকবে, ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ হয়েছে। রোগীর তুলনায় চিকিৎসক কম হওয়ায় পাঁচ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ছয় মাসে চিকিৎসক, নার্স ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরেছে বলে দাবি তার।  সেমিনারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম