ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
-প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় বাংলাদেশের তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কৃষক কার্ডে ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ মোবাইল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর ৬ শিশুর মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জুলাই শহীদ পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ওসমান হাদির বীরত্বগাথা

৮ দিন পর পাটুরিয়ায় ডুবে যাওয়া ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ জানুয়ারি, ২০২৪,  11:21 AM

news image

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর ‘রজনীগন্ধা’ ফেরিকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি তীরে আনা হয়েছে ডুবে যাওয়া ৯টি যানবাহনও। পরে ফেরিটিকে পাটুরিয়া ঘাটের সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল প্রকল্প এলাকায় এনে নোঙর করে রাখা হয়। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সাড়ে ১০টার দিকে ফেরিটিকে উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে। নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের প্রধান লেফটেন্যান্ট শাহ পরান ইমন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। লেফটেন্যান্ট শাহ পরান বলেন, নৌ বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এবং বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দলের সদস্যরা আট দিন যৌথভাবে কাজ করেছেন। প্রায় ৫০ ফুট পানির নিচে থাকা ফেরিটি উঠিয়ে ভাসমান অবস্থায় এয়ার লিফটিং ব্যাগ ও ওয়্যার রোপ (শক্তিশালী তামার তার) দিয়ে ধরে রাখা হয়। পরে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়ে’র মাধ্যমে টেনে পাটুরিয়া ঘাটে ভেড়ানো হয়। এখন সেখানেই ফেরিটি নোঙর করে রাখা হবে। নদীতে প্রচণ্ড স্রোতের পাশাপাশি কুয়াশা ও কনকনে শীতের কারণে উদ্ধার কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। নানান প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে ফেরিটিকে নদীর তলদেশ থেকে ওপরে উঠানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ১৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটের কাছে ৯টি যানবাহনসহ ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা ডুবে যায়। দুর্ঘটনার ষষ্ঠ দিনে পদ্মায় ভাসমান অবস্থায় ফেরির ইঞ্জিন চালকের লাশ উদ্ধার হয়। ডুবে যাওয়ার দিন উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ গিয়ে একটি কভার্ডভ্যান ও একটি ট্রাক উদ্ধার করে। পরদিন আরেক উদ্ধারকারী জাহাজ ‘রুস্তম’ গিয়ে উদ্ধার করে তুলা বোঝাই একটি ট্রাক। পরে উদ্ধার অভিযানে যুক্ত হয় উদ্ধারকারী আরেক জাহাজ ‘প্রত্যয়’।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম