ঢাকা ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে ১১ সংগঠনের স্মারকলিপি নির্বাচন স্থগিতের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান ইসির নির্বাচনে ভোট কারচুপির শঙ্কা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত, টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা থাইল্যান্ডে সংবিধান পরিবর্তনের প্রশ্নে চলছে গণভোট জোট জিতলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা জামায়াত আমিরের চার উপায়ে জানতে পারবেন আপনার ভোটকেন্দ্র কোথায় আইসিসি ও পিসিবির জরুরি সভায় যোগ দিতে পাকিস্তানে বুলবুল সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে: প্রধান উপদেষ্টা আবারও হত্যার হুমকি পাওয়ার দাবি আখতার হোসেনের, থানায় জিডি

৭ বছরের শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ মার্চ, ২০২৫,  1:51 PM

news image

প্রায় ১১ বছর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন আবদুল্লাহপুর এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় আরশাদ (২২) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমানের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদায়কৃত জরিমানা আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভিকটিম ও তার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে। এদিন রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় এবং রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।  মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় আসামি আরশাদ ভুক্তভোগী শিশুকে পাশ্ববর্তী দোকান থেকে সিগারেট ও শ্যাম্পু আনতে বলে। কথামতো ভিকটিম সিগারেট ও শ্যাম্পু আনলে আসামি তাকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন আব্দুল্লাহপুরের করেরগাঁও মোবারকের বাড়ির পাশে ফাঁকা ঘরে নিয়ে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ভিকটিম বাড়িতে গিয়ে তার মাকে এই ঘটনা জানায়। পরবর্তীতে ভিকটিমকে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার তিনদিন পর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা। মামলাটি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট থানার উপপরিদর্শক মো. হামিদুল ইসলাম একই বছরের ১৬ নভেম্বর শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (১) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম