ঢাকা ৩১ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি কর না বাড়িয়ে ​ ডিএসসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা দুই কোটি টাকার সরকারি মাল বিক্রি করে ভাগাভাগি, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেস্টা সিলেটে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো মানবপাচারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেক ডিজঅনার মামলার উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে চায় চীনের ৩ প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫১ ঘণ্টা পর সেই লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৫ জুন, ২০২৩,  10:28 AM

news image

ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে ভারতের ওড়িশার বালাসোরের বাহাঙ্গা রেল স্টেশনে। ওই ঘটনায় প্রায় ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয় আরও ১১ শতাধিক। এদিকে, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনার দীর্ঘ ৫১ ঘণ্টা পর ওই লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। ওই স্টেশনের ডাউন লাইন দিয়ে প্রথমে একটি মালবাহী ট্রেন বেরিয়ে যায়। ওই সময় ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবসহ একাধিক কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কোনওরকম সমস্যা ছাড়াই ডাউন লাইন দিয়ে ওই মালবাহী ট্রেন যাওয়ার পর মালবাহী ট্রেনের উদ্দেশে হাত নাড়েন রেলমন্ত্রী। ওই সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বরকেও ধন্যবাদ জানাতে দেখা যায় তাকে। যে লাইনের সামনে দাঁড়িয়ে রবিবার রাতে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানান রেলমন্ত্রী, সেই লাইনেই শুক্রবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।

ওই দিন বাহাঙ্গা বাজার রেল স্টেশনের কাছে আকরিক লোহা বোঝাই মালবাহী ট্রেনকে ধাক্কা মেরেছিল আপ শালিমার-চেন্নাই সেন্ট্রাল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। যে ট্রেন ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ছুটে যাচ্ছিল। মালবাহী ট্রেনের আকরিক লোহা ও করমন্ডলের প্রবল গতির জেরে দুর্ঘটনার অভিঘাত ভয়াবহ হয়। লাইনচ্যুত হয়ে যায় চেন্নাইগামী করমন্ডল এক্সপ্রেসের ২১টি কোচ। কয়েকটি ছিটকে গিয়ে অন্য লাইনে পড়ে। যে লাইনে ততক্ষণে চলে আসে ডাউন বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস।

করমন্ডল এক্সপ্রেসের কোচে ধাক্কা মারে সেই ট্রেন। কয়েকটি কোচ লাইনচ্যুত হয়ে যায়। তার জেরে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়। দুমড়ে-মুচড়ে যায় একাধিক কোচ। দুর্ঘটনা এতটাই বেশি ছিল যে প্রায় ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন ১১ শর বেশি মানুষ। তারা ওড়িশার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।  চারিদিকে সেই হাহাকার, আর্তনাদ, কান্নার মধ্যেই শনিবার দুপুর থেকে লাইনের কাজ শুরু করে রেল কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক হাজার শ্রমিক কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। সকালে প্রথমে ডাউন লাইন ঠিক করা হয়। সন্ধ্যার দিকে আপ লাইনও ঠিক করে ফেলেন শ্রমিকরা। তারপর রাত ১০টা নাগাদ ডাউন লাইনে মালবাহী ট্রেন চালিয়ে ট্রায়াল দেওয়া হয়। ওই মালবাহী ট্রেন যাওয়ার পরেই হাত নাড়তে থাকেন ভারতের রেলমন্ত্রী।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম