ঢাকা ০৬ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবার ডেঙ্গু আক্রান্তদের রক্তক্ষরণের শঙ্কা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২ অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন পে-স্কেল নিয়ে মিলল বড় সুখবর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি বিয়ে বাড়িতে রোস্ট চাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ উচ্চ বিনিয়োগ সম্ভাবনা না ঝুঁকি যুদ্ধের বড় ধাক্কা শ্রমবাজারে

১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিন সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৮ এপ্রিল, ২০২৫,  11:46 AM

news image

আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। সোমবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা-২০২৩ এর ৩(১) বিধি অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যেকোনো ধরনের মৎস্য ও ক্রাস্টাশিয়ান্স আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আহরণ ১২.৭৮ শতাংশ বাড়ার রেকর্ড রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়, যাতে সামুদ্রিক মৎস্য বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এ কমিটি বিজ্ঞানসম্মত তথ্যাদি যাচাই করে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকাল আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন নির্ধারণের সুপারিশ করে। এ সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৬ মার্চ ২০২৫ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফরিদা আখতার বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা ২০২৩ সংশোধন করে সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য প্রতিবছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন সব প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম