NL24 News
০৫ আগস্ট, ২০২৩, 4:21 PM
হোসেনপুরে পাট জাগ নিয়ে বিপাকে কৃষকেরা
দীর্ঘ খরায় বর্ষাকালেও খাল-বিল, নদী-নালা ও ডুবায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে কৃষকেরা পাট গাছ জাগ দিতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি শ্রাবণ মাসে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় পাট গাছ পচানোর জন্য পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না জলাধারগুলোতে। ফলে এ বছর আবহাওয়ায় পাটের উৎপাদন ভালো হলেও লোকসান গুনতে হবে তাদের। একদিকে যেমন শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে এবার বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় ক্ষেতেই শুকাচ্ছে কর্তনকৃত পাট গাছ। ফলে পাটের কাঙ্খিত উৎপাদন ও ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন পাটচাষিরা।স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,হোসেনপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় চলতি বছর পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা দুই হাজার ৩৫০ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে আরো বেশি জমিতে।
সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ কালে উপজেলার মেছেরা গ্রামের শহিদ, মঙ্গোল, জয়নাল, হারুন, হুমায়ুন, সুরুজ, হিরু, অহিদ আফাজ উদ্দিন,উপজেলার চরকাটিহারী গ্রামের পাটচাষী আবুল কালাম, সাহেবের চর গ্রামের চাষী,শাকিল,লাল মিয়া এর সাথে কথা হলে জানান,পুকুরে কিংবা গর্তে স্যালো মেশিনের মাধ্যমে পানি দিয়ে পাট জাগ দিতে অনেক খরচ। এ বছর বৃষ্টির পানির অভাবে পাট জাগ দিতে সমস্যা হচ্ছে। এ সময় ধান ও পাটের জন্য বৃষ্টির পানির খুবই প্রয়োজন।আরও জানান প্রতি বিঘা জমিতে চাষ থেকে শুরু করে পাট উৎপাদন পর্যন্ত ২০-২২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে পাটের যে দাম চলছে, তা অব্যাহত থাকলে প্রতি বিঘা জমির পাট বিক্রি করে ৪০-৫০ হাজার টাকা আয় হবে।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একেএম শাহ জাহান কবির বলেন,উপজেলায় দেশি, তোষা, মেস্তা এবং কেনাফপাট চাষ হয়েছে এখনও সব যায়গায় কর্তন হয়নাই যেদিকে পানি পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে সেদিকে পাট কাটা হচ্ছে। তবে দু-তিন দিন ধরে যে বৃষ্টি হচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে আশা করি কৃষকদের সমস্যা হবে না।আমরা সার্বক্ষণিক কৃষকদের খুঁজ খবর নিচ্ছি।