ঢাকা ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ, এবারও অনলাইনে বিক্রি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নিলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের বিষয়ে ইসি এখন তদন্ত করতে পারে: সুজন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ডিএমপি কমিশনারের পদ থেকে অব্যাহতি নিলেন সাজ্জাত আলী মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে দ্রুত স্বস্তি দিতে কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলতি বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব: পানিসম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে মুরগি-ডিম নেবে না সৌদি আরব

স্ত্রীকে খুন করে ১১ টুকরো করে গ্রিল কেটে পালালেন স্বামী

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১০ জুলাই, ২০২৫,  1:20 PM

news image

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার পাহাড়িকা আবাসিক এলাকায় ফাতেমা (৩২) এক গৃহবধূকে গলা কেটে ১১ টুকরো করে হত্যা করেছে ঘাতক স্বামী। হত্যার পর পালিয়েছে ঘাতক স্বামী। বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে অক্সিজেন এলাকার পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটির এফজে টাওয়ারের ১০তলায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান। নিহত নারীর নাম ফাতেমা বেগম পলি (৩২)। তিনি ওই ফ্ল্যাটেই স্বামী সুমনের সঙ্গে থাকতেন। সুমনের পেশা গাড়িচালক। ফাতেমার বাড়ি কুমিল্লা সদর দক্ষিণে। তার বাবার নাম কামাল উদ্দিন। তাদের সিফাত নামে আট বছরের একটি ছেলে সন্তান আছে। পুলিশ জানায়, প্রতিবেশীরা রাতের দিকে ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ ও অস্বাভাবিক নড়াচড়ার শব্দ পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে পুলিশ। তখন টুকরো অবস্থায় ফাতেমা বেগমের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ বিষয়ে বায়েজিদ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করছি। পরে লাশ ১১ টুকরো করে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখা হয়। মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা বুধবার রাতে নিহত গৃহবধূর স্বামীকে ধরে একটি বাড়িতে আটকে রাখে। রুমের জানালার গ্রিল কেটে সেখান থেকে সে পালিয়ে যায়। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিহত ফাতেমা গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলায় বলে জানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। তবে তারা চট্টগ্রামে বসবাস করতেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম