ঢাকা ০৭ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নতুন সরকারের প্রথম একনেকে অনুমোদন পেল ৬ প্রকল্প তনু হত্যা : ৩ জনের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রাথমিকে অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা নেই: ববি হাজ্জাজ তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৫ এপ্রিল থেকে সাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে তেল ও গ্যাসের ঘাটতিতে বাড়ছে লোডশেডিং যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ বাংলাদেশিসহ ১০৫ যাত্রী নিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেল ইউরোপগামী নৌযান, নিখোঁজ ৭০

সেমিফাইনালের গোলে রেকর্ড বুকে লিওনেল মেসি

#

স্পোর্টস ডেস্ক

১০ জুলাই, ২০২৪,  11:00 AM

news image

ফুটবলের প্রায় সব রেকর্ডেই জড়িয়ে আছেন লিওনেল মেসি। কাতার বিশ্বকাপের মধ্য দিয়ে নিজের একমাত্র অপূর্ণতাও মিটিয়েছেন। তবুও নতুনের খোঁজে প্রতিনিয়ত ছুটছেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবলার। চলতি কোপা আমেরিকায় সেমিফাইনালের আগপর্যন্ত গোলবঞ্চিত ছিলেন মেসি। এতে অনেকেই আর্জেন্টাইন এ ম্যাজিশিয়ানের শেষটা দেখে ফেলেছিলেন। তবে বয়সের ভারে হারিয়ে যাননি বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক। অবশেষে কোপার সেমিফাইনালে গোলে ফিরলেন তিনি। গড়লেন নতুন রেকর্ডও। ম্যাচের ৫১ মিনিটে পেয়ে গোলের দেখা পান এই ক্ষুদে জাদুকর। আর তাতেই আরও একবার রেকর্ডবুকে লেখালেন নিজের নাম। ফুটবলের ইতিহাসে জাতীয় দলের জার্সিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি। ইরানের কিংবদন্তি আলী দাঈ-এর ১০৯ গোলের টালিতে ভাগ বসালেন এই আর্জেন্টাইন।  জাতীয় দলে ১৮৬তম ম্যাচে এসে ১০৯ গোল করলেন মেসি। তার সামনে এখন আছেন কেবল ১৩০ গোল করা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর এক গোল করলেই আলী দাঈকে ফেলে এককভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের মালিক হবেন লা পুলগা।  কানাডার বিপক্ষে এই গোলের মধ্য দিয়ে ৩৮টি ভিন্ন ভিন্ন দেশের বিপক্ষে গোল করেছেন মেসি। প্রতিযোগিতামূলক খেলায় গোল পেয়েছেন ২১ টি ভিন্ন দেশের বিপক্ষে। আর ২০০৭ সাল থেকে এটি তার ৬ষ্ঠ কোপা আমেরিকায় গোল। কেবল ঘরের মাঠে ২০১১ সালে গোল পাননি এই আর্জেন্টাইন। কোপা আমেরিকায় তার গোল এখন পর্যন্ত ১৪। আছেন আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। তার ওপরে আছেন স্বদেশী নরবার্তো মেন্ডেজ এবং ব্রাজিলের জিজিনহো।  কানাডার বিপক্ষে ম্যাচেও গোল পেয়েছেন অনেকটা ভাগ্যের সহায়তা নিয়ে। জটলার মাঝে বল ক্লিয়ারে ব্যর্থ হন কানাডার রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। ডিবক্সের মাথায় বল পেয়ে যান এনজো ফার্নান্দেজ। তার জোরালো শটে পা ঠেকিয়ে বলের দিক পরিবর্তন করেছিলেন এলএমটেন। তাতেই পেয়ে যান আসরের প্রথম গোল। অবশেষে কানাডার বিপক্ষে ২-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম