ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ৬৪ জেলায় ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আফগানিস্তানের ২০ নাগরিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে ইরান

সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে বিসিএস কর্মকর্তা নিখোঁজ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  4:41 PM

news image

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে গিয়ে মাহমুদা আক্তার হ্যাপী (৩১) নামে এক নারী বন কর্মকর্তা নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ মাহমুদা আক্তার হ্যাপী ৪১তম বিসিএস ক্যাডার। তিনি ঢাকা বনবিভাগে কর্মরত আছেন। রবিবার থেকে তার খোঁজ মিলছে না। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুকুর রহমান। তিনি জানান, ‌‘গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ৭১ জনের একটি টিম সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে যায়। সে টিমে মাহমুদা আক্তার হ্যাপীও ছিলেন। তারা হোটেল কয়েকটি রিসোর্টে উঠেন। রবিবার সকালে তিনি বন্ধুর সাথে দেখা করার কথা বলে রিসোর্ট থেকে বের হন। বিকাল পর্যন্ত তিনি ফিরে না আসায় তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বন্ধুর সাথে আছেন বলে জানান।

কিন্তু এক ঘণ্টা পর তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ উসমান গনি বলেন, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে মাহমুদা আক্তার হ্যাপী সহ তিন বান্ধবী একসাথে সেন্টমার্টিন দ্বীপের একটি হোটেলের কক্ষে ছিলেন। সেদিন রাতে হ্যাপী সবার আগে ঘুমিয়ে গেলেও অন্য দুই বান্ধবীর ঘুমাতে দেরি হয়। আর ওই দুই বান্ধবী সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে রুমে হ্যাপী নেই। তার কাপড় চোপড় ও ব্যাগ গোছানো। পরে সাড়ে ৯টার দিকে এক বান্ধবীর ফোনে হ্যাপীর নাম্বার থেকে একটি ম্যাসেজ আসে, ‘আমি গোসল করে রুমে ফিরব’। এরপর থেকেই হ্যাপীর আর কোনো হদীস নেই।  তিনি আরও বলেন, হ্যাপীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের নম্বরটি ট্র্যাকিং করে দেখা গেছে তার সর্বশেষ অবস্থান কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট। আমরা তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছি। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী বলেন, বিষয়টি জানার পর টেকনাফ থানায় একটি ডায়েরি করা হয়। এরই সূত্র ধরে কাজ করছে পুলিশ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম