ঢাকা ১১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নিখোঁজের দুই দিন পর মধ্যরাতে ইপিজেডের ফটকের সামনে মিলল যুবকের লাশ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল বেশি, বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে কালি দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ৪ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর মক্কা-মদিনা ইস্যুতে কোনো ছাড় নয়, সৌদিকে যেকোনো সহযোগিতায় প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুর সময় পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দুই সিটির

সাবরিনার প্রতারণার মামলা ২৩ মের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ মার্চ, ২০২২,  8:40 PM

news image

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলার বিচারকাজ ২৩ মে’র মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ না হলে সাবরিনার জামিন বিবেচনা করতে বলেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সাবরিনার জামিন বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন। আদালতে ডা. সাবরিনার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নুর উস-সাদিক। গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনকে জামিন দিতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেন ডা. সাবরিনা ও তার স্বামীর প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার। এসব রিপোর্টের বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা হয়।  এরপর ৫ আগস্ট এ মামলায় ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফুল চৌধুরী, সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, জেকেজি হেলথকেয়ারের নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইন্সেসের স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা ও বিপ্লব দাস। তারা সবাই কারাগারে আছেন। ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে মামলাটি বিচারাধীন। ইতোমধ্যে মামলাটিতে ২৩ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। আগামি ২২ মার্চ মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম