ঢাকা ০১ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ৫০ কারখানায় ছুটি ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কর্মজীবনে যেন প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় ‘বান্ধবী’ দিশা গ্রেফতার পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে মিশে আ.লীগ-ছাত্রলীগের নাশকতা, গ্রেফতার ১১ সাপাহারে জাতীয় যুব দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রের গানে তিনজন একসঙ্গে কলাপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলো পোশাকশ্রমিকরা সোমবার থেকেই ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু : শাহে আলম আগামী গ্রীষ্মে সোলার বিদ্যুতে কমবে লোডশেডিং: জ্বালানিমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতা ফারুক হত্যায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১২ অক্টোবর, ২০২৩,  8:34 PM

news image

লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যার মামলায় আটজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনার পর থেকেই তারা পলাতক রয়েছেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. কাউসার, সাইফুল ইসলাম, মো. সিরাজ, আলাউদ্দিন আলো, মো. আউয়াল, মো. রাজু, মো. জাকের ও মো. তুহিন। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. সুমন, মো. সুজন, সজিব হোসেন, রিয়াজ প্রকাশ চিতা ও মিলন প্রকাশ মিলা। আদালত সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান জিসানের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব হয়। ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর জিসানসহ তার লোকজন ফারুককে গুলি করে। দীর্ঘদিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে সুস্থ হয়ে ফারুক বাড়িতে ফেরেন। এর মধ্যে জিসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। ২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট চন্দ্রগঞ্জ থানার নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ওমর ফারুক বক্তব্য দেন। তখন তিনি সন্ত্রাসবিরোধী বক্তব্য দিয়েছিলেন। পরদিন ১ সেপ্টেম্বর সকালে প্রতিবেশী ইসমাইল হোসেন বাড়িতে এসে ফারুককে ডেকে নিয়ে যান। বাড়ির কাছাকাছি একটি দোকানে বসে তারা চা পান করছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর আসামিরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে নোয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে নয়জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আটজনের বিরুদ্ধে চন্দগ্রঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম হক্কানি ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এর মধ্যে মামলার প্রধান আসামি মিলন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম