ঢাকা ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ৪০ কর্মকর্তা ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিলে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে: সালাহউদ্দিন রাজশাহীতে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান ৭১ নিয়ে আগে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল আমরা আর কাউকেই টানাটানি করার সুযোগ দেব না: জামায়াত আমির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি বঙ্গোপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী কায়দায় অপপ্রচার চলছে: মাহদী আমিন

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: পানির সংকটে কিয়েভে

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০১ নভেম্বর, ২০২২,  2:31 PM

news image

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। হাজার হাজার মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে পানি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকোর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় বিবিসি। মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো জানিয়েছেন, রাজধানী শহরের ৪০ শতাংশ লোক এখন পানির সংকটে আছেন। প্রায় পৌনে তিন লাখ পরিবারে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। সোমবারের (৩১ অক্টোবর) হামলায় ইউক্রেনে ১৩ জন মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি ব্যবস্থা ছিল তাদের হামলার লক্ষ্য। এবং তারা এসব লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত হেনেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার জানিয়েছেন, শনিবার (২৯ অক্টোবর) বন্দর নগরী সেভাস্টোপোলে ড্রোন হামলা চালিয়ে রাশিয়ার একটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে ইউক্রেন।

জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার ছোঁড়া ৪৫ থেকে ৫৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো কী পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরাপত্তাজনিত কারণে বিশ্বের সামনে প্রকাশ করেনি বলে জানিয়েছে দেশটি। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার আশংকা এড়ানোর জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সোমবারের হামলার চিহ্ন ছড়িয়ে আছে সবখানে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউক্রেনীয় নাগরিকদের অত্যন্ত মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিয়েভে রাস্তার বাতিগুলো নিভিয়ে রাখা হয়েছে। এখন ট্রলি বাসের পরিবর্তে প্রচলিত বাস সার্ভিস চালানো হচ্ছে। বাড়িতে পানি না পেয়ে রাস্তায় থাকা পাম্পগুলো থেকে পানি সংগ্রহের জন্য হাজার হাজার মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কিয়েভের ৮০ শতাংশ বাড়ি এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। সোমবার সন্ধ্যায় জেলেনস্কি জানান, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ স্থাপনের জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইউক্রেনীয়দের বেঁচে থাকার ইচ্ছা মেরে ফেলার ক্ষেপণাস্ত্র নাই রাশিয়ার। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাজধানী কিয়েভ ছাড়াও লাভিভ, খারকিভ, জাপোরিজিয়া এবং ডনিপ্রপেট্রোভস্ক অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মোট ১০টি অঞ্চলের ১৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার বেশিরভাগই জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ইউক্রেনের বিমান বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র মলদোভার একটি সীমান্ত শহরে গিয়ে পড়েছে। মলদোভার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এতে সেখানকার বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম