ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক ব্রাজিলের হয়ে খেলা নিয়ে অবশেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন নেইমার নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপ খনন কাজ শুরু ১৩ জেলায় ব্যাপক বজ্রবৃষ্টির আভাস, নৌবন্দরেও সতর্কসংকেত হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেফতার শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সুন্দরবনে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা ইতালির কোচ হিসেবে ফিরছেন রবার্তো মানচিনি শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপ খনন কাজ শুরু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ জুলাই, ২০২৬,  4:55 PM

news image

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বড় চারিগাঁও এলাকায় নতুন একটি গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। নির্ধারিত সময়ের খনন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হলে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) নতুন কূপটির খনন কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করে। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে পুরোদমে চলছে খনন কার্যক্রম। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬১ মিটার এবং ১ হাজার ৪৫০ মিটার গভীরতায় দুটি পৃথক জোনে প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে। ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (MWD) মেথড ব্যবহার করে খননকাজ পরিচালিত হচ্ছে।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান বাসসকে জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খনন কাজ এবং পরবর্তী ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে কূপটিতে মজুত গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে। মঙ্গলবার খনন কাজ শুরু হয়েছে এবং এটি একনাগাড়ে চলবে। প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫৫০ মিটার পর্যন্ত খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাপেক্স জানায়, নোয়াখালীর এ অঞ্চল তথা বেগমগঞ্জে ১৯৭৬ সালে প্রথম গ্যাস কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় কূপের সন্ধান মিললে দুটি কূপেই ড্রিলিং করা হলেও সেখানে কোনো গ্যাস পাওয়া যায়নি। এরপর ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান পাওয়া গেলে ড্রিলিং শেষে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৮ সালে ওই কূপে ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করার পর বর্তমানে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া নোয়াখালীতে ‘সুন্দলপুর-১’, ‘সুন্দলপুর-২’ ও ‘সুন্দলপুর-৩’ নামে তিনটি গ্যাস কূপ খনন করেছে বাপেক্স। এর মধ্যে সুন্দলপুর-১ ও সুন্দলপুর-৩ থেকে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তবে সুন্দলপুর-২ থেকে এখনো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সুন্দলপুর-৩ কূপে ওয়ার্কওভার শেষ হলে সেখান থেকেও পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। সূত্র: বাসস

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম