
নিজস্ব প্রতিনিধি
১৩ আগস্ট, ২০২৫, 4:07 PM

রাজস্ব আহরণের প্রতীক এনবিআর এ হচ্ছে কি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ঐক্য পরিষদের আন্দোলনের বর্তমান উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে চাঞ্চল্য বহিরাগতদের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য চলমান রয়েছে। এনবিআরের আওতাধীন বিভাগীয় দপ্তর ও সার্কেল সমূহে অভিযোগ রয়েছে বর্তমানে কাস্টমস হাউস ও ভ্যাট বিভাগীয় দপ্তর সার্কেল সমুহে বহিরাগতদের উৎপাতে ব্যবসায়ীরা অস্থির হয়ে পড়েছে। প্রতিটি বিভাগীয় দপ্তর ও ভ্যাট সার্কেলের প্রতিটি দপ্তরে, দপ্তরে অগণিত বহিরাগত ঘুষের টাকা কর্মকর্তাগণের বহনকারী হিসেবে কর্মকর্তাগণ বহিরাগতদের অবস্থান করছেন, অগণিত ভ্যাট সার্কেলে দেখা যায় বহিরাগত রাজার ভেসে চেয়ারে বসে কম্পিউটার চালাচ্ছে মাসিক দাখিলপত্র এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এ বিষয় চঞ্চল্য তথ্য উঠে এসেছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ঐক্য পরিষদের আন্দোলনে মাস্টারমাইন্ড ছাত্র ছায়ায় ঐক্য পরিষদের আন্দোলন পরিচালিত করেন বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন বাকাএভ সংগঠনের যার নেই কোন নিবন্ধন। রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান মজিব এর মাস্টারমাইন্ড প্লানে পড়ে গেলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ঐক্য পরিষদ। অভিযোগ রয়েছে একাধিক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস ফাস্ট সেক্রেটারি জনাব, আবুল আল মোহাম্মদ আমীনুল ইসলাম খান বর্তমান কর্মস্থল মোংলা কাস্টম হাউস) তার নেতৃত্বে কমপ্লিট সাটডাউন ঘোষণা প্রেস ব্রিফিং পেপার্স নিজের হাতে কম্পিউটারে করেন এবং দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বিভিন্ন ধরনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা যায় মুজিবুর রহমান মজিব এর ছএ ছায়ায় বাংলাদেশের সকল কাস্টমস কমিশনারেট এর রাজস্ব কর্মকর্তা ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা তার সমিতির সদস্য তার বাকাএভ দপ্তরে নিয়মিত আসেন এবং বিভাগীয় দপ্তর ও সার্কেল সমূহ থেকে কর্মচারীদেরকে প্লানের মাধ্যমে সকল কমিশনারেট কর্মকর্তাগন সমগ্র বাংলাদেশের কর্মকর্তার নির্দেশে এক ধরনের মুজিব প্লানে জোরপূর্বক আন্দোলনে নিয়ে আসেন কর্মচারীদেরকে এ অভিযোগ অনুসন্ধানে পাওয়া যাচ্ছে।
মুজিবুর রহমান মজিব বিগত সরকারের আওয়ামী লীগের একজন দোসরও ছিলেন। কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার মানস কুমার বর্মন এর নেতৃত্বে কর্মকর্তা কর্মচারীকে ঐক্য পরিষদের আন্দোলনে নিয়ে আসেন মানুষের জোরালো ভূমিকায় আন্দোলন বেগমান হয়। কর্মকর্তাদের একটি অংশ একাধিক অভিযোগ এসেছে অভিযোগে বলা হয়, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেশব্যাপী আন্দোলন করেছেন এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে অনশন, কর্মবিরতি কমপ্লিট সাটডাউন কর্মসূচি পালিত হয়েছে তাতে অংশগ্রহণ করেন আয়কর, ভ্যাট, কাস্টমস হাউস এ সকল রাজস্ব বিভাগে চরম স্থবিরতা তৈরি হয়। এ আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন প্রতিটি কমিশনারেট কমিশনারগন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুগ্ম কমিশনার বলেন এবং আন্দোলনে যুক্ত এক উপকমিশনার বলেন, আমরা আন্দোলন করেছি অরাজনীতিমুক্ত কিন্তু বাকাএভ সংগঠন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একটি বড় কক্ষ যা ১৩০০ হতে ১৪০০ স্কয়ার ফিট দখল করে আছেন।
বাকাএভের নেতা মুজিবর রহমান মজিব একজন রাজস্ব কর্মকর্তা। বর্তমান বাকাএভ সভাপতি কে এম, মাহবুব আলম মহাসচিব তানভীর আহমেদ। একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর মাধ্যমে শোনা যায় মজিবুর রহমান মুজিব সে তার নিজের কর্মস্থলে না গিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে চেয়ারম্যান মেম্বার সদস্যগণের কক্ষে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের বদলি জটিল ফাইল ছুটানের তদবির করেন এবং মজিব তিনি এনবিআর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি বাণিজ্যের দালালি করে আসছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঐক্য পরিষদের আন্দোলনে কর্মকর্তা কর্মচারীকে আন্দোলনে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন আন্দোলনকারীর ফুটেজে দেখা যায় বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী আন্দোলনে অংশগ্রহন করলেও হাতে গোনা কয়েকজনকে অবসর দেয়া হয়েছে এবং কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাসপেন্ড করেছেন। যারা মূল মাস্টারমাইন্ড সামনের কাতারে ছিলেন এবং পিছনে যারা উস্কানি দিয়েছেন তাদেরকে কেন সাসপেন্ড করা হয়নি এবিষয়ে কর্মকর্তা, কর্মচারিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। সকল পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে সব কর্মকর্তা আন্দোলনে গুরত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেছে তাদের মধ্যে রয়েছে জনাব, আবুল আ ল মোহাম্মদ আমীনুল ইসলাম খান অতিরিক্ত কমিশনার মোংলা কাস্টম হাউস। মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনার কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট। মোঃ মজিবুর রহমান মজিব, কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা (বাকাএভ নেতা) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্বিতীয় তলা। মোঃ মাজহারুল ইসলাম কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা (বাকাএভ নেতা।
মোঃ আলহেলাল তাজ সিপাই, কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট (বাকাস মহাসচিব)। মোঃ মাহবুব হোসাইন সাব ইন্সপেক্টর (বাকাস সহ-সভাপতি) কাস্টমস ঢাকা পূর্ব কমিশনারেট। মোহাম্মদ শামসুদ্দিন সিপাই (সাংগঠনিক সম্পাদক) কাস্টমস পশ্চিম কমিশনারেট। মোঃ বাবুল হোসেন সিপাই (বাকাস নেতা) কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট। মোঃ আবুল হোসেন সিপাই (সাংগঠনিক সম্পাদক) কাস্টমস বৃহত্তর করদাতা ইউনিট এল টি ইউ ঢাকা। মোঃ মনজুরুল ইসলাম সিপাই (আঞ্চলিক কমিশনারেট নেতা) কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট।১১। মোঃ আবুল কাশেম তুহিন সিপাই (আঞ্চলিক কমিশনারেট নেতা) কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট। মোঃ রাজিব হোসেন সিপাই (সাংগঠনিক সম্পাদক) কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট। মোঃ আবু সাঈদ সিপাই (বাকাস নেতা) কাস্টমস ঢাকা পশ্চিম কমিশনারেট ঢাকা। মোঃ মিজানুর রহমান সাব ইন্সপেক্টর কাস্টমস আঞ্চলিক (কমিশনার নেতা) ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট। ব্যবসায়ী মহল ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানায়, আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন এ ধরনের কর্মকর্তা কর্মচারী হাজার হাজার যারা দোষী সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন।