ঢাকা ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পরীর নতুন ভিডিও ভাইরাল, ভাসছেন প্রশংসায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের ভূমিকা প্রশংসনীয়: রাশেদ খাঁন বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান আব্দুল হান্নান গ্রেপ্তার মা ইলিশ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে কোস্ট গার্ড রাজধানীর মাতুয়াইলের গ্যারেজে জবির বাসে আগুন প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ: ডিবি প্রধান আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানি হবে সাত খুন, মেজর সিনহা ও আবরার হত্যা মামলা : অ্যাটর্নি জেনারেল স্বর্ণ নিয়ে বিশ্ববাজারে দুঃসংবাদ প্রবাসে থেকেও তারেক রহমান দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন: রিজভী

যারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছেন অবশ্যই তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ নভেম্বর, ২০২২,  9:04 PM

news image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ৭ নভেম্বর ক্যু’র নামে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়েছিল। এ হত্যার বিচার এখনও হয়নি। তবে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা জীবিত থাকতেই বিচার দেখে যেতে পারবেন। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অকারণে হত্যা করেছে তাদের বিচার হবেই। সোমবার (৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘৭ নভেম্বর, মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবসের আলোচনা সভা' শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ একটা ধ্বংসস্তূপ ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকে কোনো টাকা ছিল না। এই যে আমরা জামাকাপড় পরেছি সেগুলোর জন্য সেই সময় লাইন ধরে দাঁড়িয়েছিলাম। আজকে সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশ কতটা উন্নত হয়েছে। এই উন্নয়নের পেছনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলোকেই তার কন্যা শেখ হাসিনা সম্পন্ন করছেন। তার রক্ত যার শরীরে বইবে তারা তো ঘুরে দাঁড়াবেই। এটা বুঝতে পেরেই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ঘাতকরা। সেদিন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। তারপরও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু পারেনি। তারা চার নেতাকে হত্যা করেছে। মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের হত্যা করেছে। তাদের বিচার হবেই। এ সময় আসাদুজ্জামান নূর বলেন, আমরা যদি ইতিহাস পর্যালোচনা করি, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। সে ছিল পাকিস্তানিদের পক্ষ থেকে আমাদের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী। ইতিহাসে তাকে নিয়ে কোনো বই পাওয়া যায় না। কেননা, তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, তারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিল, চার নেতাকে হত্যা করছিল। বাংলার মাটিতে সেই দলের কোনো অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। যে দল স্বাধীনতাবিরোধী সে দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীর বিক্রমের কন্যা নাহিদ ইজাহার খান, শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের কন্যা মাহজাবিন খালেদ এবং বিশেষ অতিথি আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান বীর বিক্রম, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সশস্ত্র বাহিনীতে হত্যাকাণ্ড নিয়ে গবেষক আনোয়ার কবির।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম