ঢাকা ২১ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, মন্ত্রণালয়ে চিঠি তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ হবে দমকা হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, ৩ নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি আম উৎপাদনে অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে পারে বাংলাদেশ তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪০ ডিগ্রিতে রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা টেকনাফের পাহাড়ে মিলল ৩ লাশ চোট কাটিয়ে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের বাংলাদেশ দলে তানজিম নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেপ্তার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ ডিসেম্বর, ২০২৫,  1:00 PM

news image

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে মোহাম্মদ জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ সকালে ঝালকাঠির নলছিটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে শাহজাহান রোডের ১৪ তলা একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে (১৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। জোড়া হত্যার ঘটনায় সোমবার রাতে গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী স্কুলশিক্ষক আ জ ম আজিজুল ইসলাম। মামলার এজাহারে বলা হয়,

সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি উত্তরায় স্কুলে চলে যান। সেখানে থাকা অবস্থায় স্ত্রীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে তিনি বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়ের রক্তে ভেজা লাশ দেখেন। ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজ করার জন্য বাসায় আসেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নাফিসার স্কুলড্রেস পরে বাসা থেকে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় একটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার,

নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিস নিয়ে যান। বাদী এজাহারে আরও বলেন, অজ্ঞাত কারণে গৃহকর্মী আয়েশা তার স্ত্রী ও মেয়েকে ছুরি অথবা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা করেছেন। সুরতহাল প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মেয়ে নাফিসার শরীরে ৪টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে লায়লা ও তার মেয়ের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোর পৌরসভার দক্ষিণ বড়গাছায় নেয়া হয়। জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম