ঢাকা ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন, নিহত ৭ হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি বেকারত্ব কমাতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় জোর দেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির প্রথম স্ত্রীসহ এমপি নজরুল ইসলাম রিমান্ডে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক এনসিপির, সন্ধ্যায় মিছিল সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নৌসদস্যের মৃত্যু জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘বড় বরাদ্দ’ দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর: মাহদী আমিন স্বাস্থ্যখাতের ওপর সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মেহেরপুর সীমান্তে শিশুসহ ১৯ জনকে পুশইন বিএসএফের

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৫ মে, ২০২৫,  4:50 PM

news image

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর সীমান্ত দিয়ে ১৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসা আসা এসব নারী, পুরুষ ও শিশুদের নেওয়া হয়েছে মুজিবনগর থানা পুলিশের হেফাজতে।  রোববার (২৫ মে) ভোরে সীমান্তের কাঁটাতারের গেট খুলে তাদেরকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করা হয়।  ভারত থেকে আসা কয়েকজন দাবি করেছেন, তারা বাংলাদেশি। অবৈধভাবে তারা বিভিন্ন সময়ে ভারতে যায়। কিছুদিন আগে ভারতীয় পুলিশ তাদেরকে আটক করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। পরে আজ ভোরে বিএসএফ তাদেরকে নিয়ে আসে মুজিবনগরে সোনাপুর সীমান্তে। সেখানে কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুলে জোরপূর্বক বাংলাদেশে আসতে বাধ্য করে।  সীমান্ত এলাকা পেরিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য কেগারগঞ্জ বাজারে বাস কাউন্টারে যাবে এসব মানুষ। সেখান থেকে মুজিবনগর থানা পুলিশ তাদেরকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়।  কুড়িগ্রামের মাইনুল ইসলাম দাবি করা এক যুবক জানান, দশ বছর আগে সে কাজের উদ্দেশ্যে দিল্লি যায়। সেখানে ইটভাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। কয়েকদিন আগে সেখানে পুলিশের অভিযানে বাংলাদেশি হিসেবে আটক করে একটি ক্যাম্পে নেওয়া হয়। সেখানে বাংলাদেশি আরও অনেকে ছিল। গতকাল তাদেরকে বিএসএফের পিকআপভ্যানে সীমান্তের দিকে আনা হয়। সারারাত তারা গাড়িতেই ছিলেন। ভোরে তাদেরকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বিএসএফ।  মুজিবনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ১৯ জনই বাংলাদেশি বলে দাবি করেছেন। তবে তাদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় বাংলাদেশি কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। নীলফামারী ও কুড়িগ্রামসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে তারা পুলিশের কাছে দাবি করেছেন। তাদেরও দেওয়া পরিচয় যাচাই করার পর তাদের বিষয়ে আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম