ঢাকা ১১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নিখোঁজের দুই দিন পর মধ্যরাতে ইপিজেডের ফটকের সামনে মিলল যুবকের লাশ ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল বেশি, বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে কালি দিতে গিয়ে নারীসহ আটক ৪ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে পিকআপ-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২ খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর মক্কা-মদিনা ইস্যুতে কোনো ছাড় নয়, সৌদিকে যেকোনো সহযোগিতায় প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুর সময় পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দুই সিটির

মিতুর পরিবারের কি বিচার পাওয়ার অধিকার নাই: হাইকোর্ট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ জুন, ২০২২,  9:00 PM

news image

একটি গোষ্ঠী মিতু হত্যা মামলার বিচারকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে, তার পরিবারের কি বিচার পাওয়ার অধিকার নাই বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তাদের দুই সন্তানকে শিশু আইনানুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য করা আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের দ্বৈত বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার (৭ জুন) এ মন্তব্য করেন। এসময় আদালত প্রশ্ন তোলেন, আপনারা কি ন্যায়বিচার করতে দেবেন না? যিনি মারা গেছেন তার কি ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নেই?

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তিনি পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। এরপর গত বছরের ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে আছেন তিনি। সেই থেকে দুটি মামলায় তদন্ত করছে পিবিআই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম