ঢাকা ২২ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন ফুটবল দলকে ডিএনসিসি পক্ষথেকে সংবর্ধনা এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ অব্যবহৃত ২০০ ভবন হবে হাসপাতাল ও মাতৃসদন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দেশের জনগণকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দেখাল ইরান ১৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ

মাছ ধরতে গিয়ে ইঁদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  2:15 PM

news image

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় রাতে মাছ ধরতে গিয়ে ইঁদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের উড়িবুনিয়া গ্রাম থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত দুজন হলেন উপজেলার উড়িবুনিয়া গ্রামের দিনমজুর আয়নাল হক মিয়ার ছেলে মো. নাদিম (২৪) ও মো. ইমাম (২০)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সরোয়ার। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মো. নাদিম ও মো. ইমাম বাড়ি থেকে মাছ ধরার জন্য বের হন। এরপর রাতে তারা আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে উড়িবুনিয়া গ্রামের খালের পাড়ের একটি ধানখেতে দুই ভাইয়ের লাশ দেখতে পান এলাকাবাসী।

খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, উড়িবুনিয়া গ্রামের রিপন মিয়া নামের এক ব্যক্তি ধানখেতে ইঁদুরের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি করেন। রাতে ধানখেতের পাশের খালে মাছ ধরতে গিয়ে নাদিম ও ইমাম অসাবধানতাবশত ওই ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। আয়নাল হক বলেন, গতকাল রাতে তার দুই ছেলে মাছ ধরার জন্য বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। সকালে লোকজনের কাছে ধানখেতে লাশ পড়ে থাকার খবর পান। নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সরোয়ার জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধানখেতে ইঁদুর মারার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি অপরাধ। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম