ঢাকা ০৬ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১০৩২ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা হিলি সীমান্তেও পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ‘৩ ফুটের মধ্যেও শিশুর নিরাপত্তা নেই’, রামিসার বাবা সারাদেশে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু; সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতন সাভারে আল-মুসলিম গ্রুপে শ্রমিক ছাঁটাই, ন্যায্য পাওনার দাবিতে বিক্ষোভ হানি ট্র্যাপে ফেলে মুক্তিপণ দাবি, চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা

ভোলায় বাস-সিএনজি শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত ৩০

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ জানুয়ারি, ২০২৫,  11:18 AM

news image

ভোলায় বাস এবং সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় এক সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুই জনকে পাঠানো হয়েছে বরিশালে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এসময় পাঁচটি সিএনজি এবং একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় অন্তত ৩০টি সিএনজি। পরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।  জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ভোলা-চরফ্যাশন- ইলিশা সড়কে সিএনজি চলাচল করছে। এতে বাসের যাত্রী সংখ্যা দিন দিন কমছে। অপরদিকে সিএনজির সংখ্যা বাড়ছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি ও বাস মালিক শ্রমিকদের মধ্যে  বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং এক পর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।  এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা জানান, পৌরসভার নির্দেশ অনুযায়ী সিএনজি মালিকদের আমরা স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি সরিয়ে নিতে বলেছি। এ কারণে তারা উত্তেজিত হয়ে আমাদের বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ বিষয়ে সিএনজি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন জানান, বাস মালিক সমিতির লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর হামলা করেছে। বাস মালিক সমিতির লোকেরা স্টান্ড থেকে তাদের সব বাস আগে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে তারপর সিএনজির উপরে হামলা করেছে এবং আগুন দিয়েছে।  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিপন কুমার সরকার বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এদিকে জেলার প্রশাসক মো. আজাদ জাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম