ঢাকা ২২ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
লাশ চুরির ভয়ে রাত জেগে সন্তানের কবর পাহারা দিচ্ছেন বাবা আগাম বন্যার শঙ্কায় দ্রুত ধান কাটার নির্দেশ পাউবোর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে পরিপত্র জারি, বাড়ল ছুটি অব্যবহৃত মোবাইল ডেটার মেয়াদ আনলিমিটেড করার ব্যবস্থা নেয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ উন্নয়ন বাজেটে বেজায় ফাঁক রামেকে কর্মবিরতির পর কাজে ফিরলেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা যুদ্ধবিরতি বাড়লেও বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত বাস ভাড়া বেশি আদায় করা যাবে না: মালিক সমিতি গাইবান্ধায় এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৬৫০, বহিস্কার ১

ভারতীয় রুপির মান আরও কমেছে

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০২ জুলাই, ২০২২,  2:03 PM

news image

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার (রুপি) মান আরও কমেছে। শুক্রবার (১ জুলাই) বাজারের শুরুতেই এক ডলারের বিপরীতে রুপির দাম দাঁড়ায় সর্বনিম্ন। পাঁচ পয়সা বেড়ে এখন এক ডলারের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ১১ রুপি, যা সর্বকালের রেকর্ড। শুক্রবার সকালে ভারতের শেয়ারবাজারেও পতন হয়েছে। বাজার শুরুর পর ৩৯৯ দশমিক ৬৯ সূচক পড়ে সেনসেক্স দাঁড়ায় ৫২ হাজার ৬১৯ দশমিক ২৫-এ। নিফটি ১৩০ দশমিক ২৫ পয়েন্ট পড়ে গিয়ে হয় ১৫ হাজার ৬৫০। বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরেই কি বাড়তি চাপে রুপি, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,

রুপির দাম পতনের অন্যতম কারণ ভারতের ইক্যুইটি বাজার থেকে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বা এফআইআইয়ের মূলধন তুলে নেয়া এবং অতি অবশ্যই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি। দ্য ইউএস ডলার ইনডেক্স অনুযায়ী, ২০ বছরের মধ্যে ডলারের মান এখন সবচেয়ে বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এ মুহূর্তে ডলারের সাপেক্ষে অন্যান্য মুদ্রার দামের পতনের বহুবিধ কারণ থাকলেও প্রধান কারণ দুটি। এক, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে পেট্রোলিয়াম থেকে রকমারি পণ্য- সবকিছুরই দাম বেড়েছে। অর্থাৎ ডলারের অঙ্কে সেই পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আমদানির পরিমাণ অন্তত স্বল্প মেয়াদে কমানো অসম্ভব, ফলে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। শুধু বাংলাদেশে নয়, সব দেশেরই। তাতে ডলার মূল্যবান হয়েছে, উল্টো দিকে স্থানীয় মুদ্রার দাম পড়েছে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়িয়েছে। পৃথিবীজুড়ে আর্থিক ক্ষেত্রে তুমুল অনিশ্চয়তা চলছে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছেন। সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ডলার সে দেশেই জমা রাখা লাভজনক, নিরাপদ। ফলে ভারতের মতো বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নেয়ার চল শুরু হয়েছে। অন্যান্য দেশ থেকেও বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নেয়া হচ্ছে। ফলে গোটা এশিয়াতেই স্থানীয় মুদ্রা এখন দুর্বল।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম