ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার দূরত্ব কমাতে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করছে সরকার নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরে ব্যক্তিপর্যায়ে টাকা পাঠানো যাবে; কমছে খরচ, মিলবে প্রণোদনা সরকারের উদ্যোগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু ব্রাজিলের গরুর মাংসে ৫৫ শতাংশ শুল্ক বসাচ্ছে চীন আইএলটি-টোয়েন্টির নিলামে ১০ বাংলাদেশি আজকের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড় ট্রাম্প প্রশাসন পরিবর্তনে মার্কিন ভোটারদের খোলা চিঠি আইআরজিসির জ্বালানির দামের লাগাম টানতে হিমশিম খাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলো হরমুজ দিয়ে এখনও দিনে পার হচ্ছে ১ কোটি ৩১ লাখ ব্যারেল তেল

বিহারে বিষাক্ত মদপানে ১২ জনের মৃত্যু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭ অক্টোবর, ২০২৪,  5:09 PM

news image

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারে বিষাক্ত মদ্যপানে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, আরও কয়েকজনকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে। রাজ্যটির সারান ও সিওয়ান জেলায় এ ঘটনা ঘটে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত মদ্যপানে বিহারের সারান ও সিওয়ান জেলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও আট জনেরও বেশি অসুস্থ ব্যক্তিকে ছাপরা, সিওয়ান ও পাটনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তথ্য অনুসারে, সারান জেলায় তিনজন মারা গেছেন। আর সিওয়ান জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও নয়জন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে তৈরি মদ খেয়েছিল তারা, যাতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছিল। জানা গেছে, পাটনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে একজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং রাতে তিনি মারা যান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বিহারে মদ বিক্রি নিষিদ্ধ। তবে, প্রায়শই সেখানে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি বিষাক্ত মদ পানের কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। সম্প্রতি বিহার সরকার জানায়, ২০১৬ সালের এপ্রিলে রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ করার পর থেকে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সব থেকে মারাত্মক পরিস্থিতি হয়েছিল ২০২২ সালে। সেই বছর সারান জেলায় বিষাক্ত মদ্যপান করে অন্তত ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সেই সময় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, যেহেতু রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ, তাই বিষাক্ত মদ্যপান করে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। অবশ্য বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটায় বিহারে মদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেরও দাবি উঠেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম