ঢাকা ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ৪০ কর্মকর্তা ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিলে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে: সালাহউদ্দিন রাজশাহীতে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান ৭১ নিয়ে আগে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল আমরা আর কাউকেই টানাটানি করার সুযোগ দেব না: জামায়াত আমির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি বঙ্গোপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী কায়দায় অপপ্রচার চলছে: মাহদী আমিন

বিহারে বিষাক্ত মদপানে ১২ জনের মৃত্যু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭ অক্টোবর, ২০২৪,  11:09 AM

news image

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারে বিষাক্ত মদ্যপানে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, আরও কয়েকজনকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে। রাজ্যটির সারান ও সিওয়ান জেলায় এ ঘটনা ঘটে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত মদ্যপানে বিহারের সারান ও সিওয়ান জেলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও আট জনেরও বেশি অসুস্থ ব্যক্তিকে ছাপরা, সিওয়ান ও পাটনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তথ্য অনুসারে, সারান জেলায় তিনজন মারা গেছেন। আর সিওয়ান জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও নয়জন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে তৈরি মদ খেয়েছিল তারা, যাতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছিল। জানা গেছে, পাটনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে একজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং রাতে তিনি মারা যান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বিহারে মদ বিক্রি নিষিদ্ধ। তবে, প্রায়শই সেখানে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি বিষাক্ত মদ পানের কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। সম্প্রতি বিহার সরকার জানায়, ২০১৬ সালের এপ্রিলে রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ করার পর থেকে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সব থেকে মারাত্মক পরিস্থিতি হয়েছিল ২০২২ সালে। সেই বছর সারান জেলায় বিষাক্ত মদ্যপান করে অন্তত ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সেই সময় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, যেহেতু রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ, তাই বিষাক্ত মদ্যপান করে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। অবশ্য বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটায় বিহারে মদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেরও দাবি উঠেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম