ঢাকা ০২ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ৫০ কারখানায় ছুটি ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কর্মজীবনে যেন প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় ‘বান্ধবী’ দিশা গ্রেফতার পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে মিশে আ.লীগ-ছাত্রলীগের নাশকতা, গ্রেফতার ১১ সাপাহারে জাতীয় যুব দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রের গানে তিনজন একসঙ্গে কলাপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলো পোশাকশ্রমিকরা সোমবার থেকেই ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু : শাহে আলম আগামী গ্রীষ্মে সোলার বিদ্যুতে কমবে লোডশেডিং: জ্বালানিমন্ত্রী

বিস্ফোরণে নিহত মোজাম্মেলের মায়ের কান্না থামছেই না

#

১৭ অক্টোবর, ২০২৩,  9:05 PM

news image

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) সংবাদদাতা: জীবনে আমার পোলারে একটি ছনের আঁচড় ও দেই নাই, আমার বাজান না জানি গ্যাসের আগুনে কত কষ্ট পাইছে। এহন আমি কি লইয়া বাঁচমু তুমি আমারে তুইল্লা লও আল্লাহ ছেলের মৃত্যুতে এভাবেই বিলাপ করছিলেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের স্টিল কারখানায় বিস্ফোরণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া শ্রমিক মোজাম্মেল হোসেনের বৃদ্ধ মা আনোয়ারা বেগম। নিহত শ্রমিক মোজাম্মেল হোসেনের গ্রামের বাড়ী শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বিশগিরিপাড়া গ্রামে। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৪ অক্টোবর) ভোররাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গোদনাইল সৈয়দপাড়া এলাকার শারমিন রোলিং মিলের গ্যাসের মিটারের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। পরে আহত সবাইকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোজাম্মেলের মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানান, নিহত মোজাম্মেল হকের শরীর শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেড় বছর আগে পার্শ্ববর্তী সোহাগপুর গ্রামে বিয়ে করেন মোজাম্মেল হক। তাঁর স্ত্রী নাজমুন নাহার বর্তমানে চার মাসের অন্ত:সত্বা। প্রায় তিন মাস আগে তাঁর বাবা নূর হোসেনের মৃত্যু হয়। জীবিকার তাগিদে ১৫ দিন আগে এই স্টিল কোম্পানিতে চাকরি নিয়েছিলেন মোজাম্মেল। নিহত মোজাম্মেলের বৃদ্ধ মা আনোয়ারা বেগম বিলাপ করে বলেন, স্বামীরে হারায়ছি তিনমাস হইলো, অহন আমার কলিজার ধন, পোলাডাও গ্যাসের আগুনে জ্বইলাপুইড়া মইরা গেলো, তুমরা আমার বাজানরে আইনা দেও মায়ের এমন আহাজারি থামাতে বাড়ীতে ভিড় করছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কাকরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়ামূল কাউসার বলেন, দগ্ধ হওয়া শ্রমিকের পাঁচজনের চারজনই আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা। বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখজনক। পরিষদের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবার ও আহতদের সহযোগিতা করা হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম