ঢাকা ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় লরিতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে চুয়েটে সর্বাত্মক শাটডাউন বাসভাড়া বাড়ল দূরপাল্লা ও মহানগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি পুনর্নির্ধারণ দূরপাল্লার বাসে কিমি প্রতি ৮ পয়সা, শহরে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই: জাহেদ উর রহমান নারীর গোলাপি বাস: তেলের টাকাই উঠছে না দিনে ভর্তুকি ৫০ হাজার নিয়ম না মানলে অনুমোদিত ক্লিনিকও বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব, বাতিল শত শত ফ্লাইট ও বন্ধ রেল চলাচল

বিদ্যুৎ বিল বাঁচাতে সপ্তাহে একদিন গোসল

#

০৬ জুন, ২০২২,  7:58 PM

news image

যুক্তরাজ্যের এক পরিবার বিদুৎ বিল বাঁচাতে সপ্তাহে একদিন গোসল করছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে সংকট দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্যেও। গত ৪০ বছরের মধ্যে দেশটিতে জীবন যাত্রার মান সবচেয়ে কঠিন অবস্থার মধ্যে পড়েছে। দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের জিও টিভি।  লন্ডনের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলীয় শহরে বসবাসকারী ওই পরিবারটি জানিয়েছে, করোনা মহামারির পর জীবন যাত্রার মান অত্যন্ত ব্যয় বহুল হয়ে পড়েছে।  ওই পরিবারে চার জন সদস্য রয়েছে। স্বামী-স্ত্রী ও তাদের দুই কন্যা সন্তান। যাদের এক জনের বয়স ১৩ এবং অন্য জনের বয়স ১৪ বছর।

পরিবারের কর্তা ব্যক্তি জাহিয়া অ্যাটমেন বলেন, জীবন যাত্রার মান এতটাই বেড়ে গেছে যে সাধারণ খাবারের জন্য আমাদের স্থানীয় ফুড ব্যাংকের সহযোগিতা নিতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এমনভাবে জীবন যাপন করা আমদের জন খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে আরও কষ্টকর। তিনি আরও যোগ করেন, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু দিনকে দিন সব কিছুর দাম বেড়েই চলছে। জাহিয়া ইন্ডিপেনেডেন্টকে বলেন, আমি স্বামী চাকরি হারিয়েছেন। করোনা মহামারির সময় তিনি তার রেস্টুরেন্টের চাকরি হারান। এরপরই সংসার চালানো আমাদের জন্য ব্যাপক কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।  এজন্য আমরা আমাদের বাসা বাড়ির বিদুৎ বিল কমাতে সপ্তাহে একদিন গোসল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখান থেকে যে অর্থ সঞ্চয় হবে সেটা দিয়ে আমরা পর্যন্ত খাবার কিনতে পারব। জাহিয়া বলেন, পণ্য দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা পোশাক ক্রয়, দামী সাবান, শ্যাম্পু এবং অপ্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় কমিয়ে দিয়েছে। এখন আমরা নন ব্রান্ড পন্য সামগ্রী ব্যবহার করছি। স্থানীয় ফুড ব্যাংক না থাকলে আমরা আরও সমস্যায় পড়ে যেতাম। বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির কারণে যুক্তরাজ্যের অনেক পরিবারের অবস্থা এই জাহিয়ার পরিবারের মতো। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম