ঢাকা ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ইলিশ ধরা ও ক্রয়-বিক্রয়ে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের পৃথক ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইয়েমেনে সংঘাতে বাড়ছে হতাহত, বাস্তুচ্যুত ১ লাখ ২৫ হাজার হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু সাতক্ষীরায় পটকা মাছ খেয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসির ঘোষিত সময়সূচি চূড়ান্ত নয়: তথ্য উপদেষ্টা প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ সমস্যায় দুঃখ প্রকাশ ওজোপাডিকোর একদিনের ছুটি নিতে পারলেই একটানা মিলবে ৫ দিনের ছুটি

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়ের মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৭ জুন, ২০২৩,  5:58 PM

news image

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় মা তাছলিমা খাতুন (২৭) ও তার দেড় বছরের শিশু কন্যা মাহি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের হাড়াভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর তাছলিমার স্বামী মিন্টু চৌধুরীর খোঁজ মিলছে না। মিন্টু চৌধুরী হাড়াভাঙ্গা গ্রামের পশ্চিম (পুরাতন) পাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তাছলিমা ও তার মেয়ে মাহির মরদেহ বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে থাকা দেখতে পান তাছলিমার শাশুড়ি। বিষয়টি তিনি প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখে মা ও মেয়ের নিথর মরদেহ পড়ে রয়েছে। তাছলিমার স্বামীর পরিবারের দাবি, বিদ্যুতের লাইন থেকে চার্জার ব্যাটারি খুলতে গিয়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তবে গ্রামবাসী মৃত্যুর বিষয়টিকে রহস্যজনক মনে করছেন। স্থানীয়রা জানান, মিন্টু চৌধুরীর স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও গত ১ সপ্তাহ আগে অন্য নারীকে বিয়ে করেছেন। এ বিয়েকে কেন্দ্র করে তাছলিমা প্রতিবাদ করার কারণে গত কয়েকদিন ধরে মিন্টু তার নতুন স্ত্রী তাছলিমাকে মারধর করে আসছিলেন। তাই মিন্টু স্ত্রী-সন্তানকে কৌশলে হত্যা করে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নাটক সাজাতে পারে। জানা যায়, তাছলিমাকে বিয়ের আগে মিন্টুর প্রথম স্ত্রী ও সন্তান ছিল। পরে শরীয়তপুর জেলার মেয়ে তাছলিমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। গত এক সপ্তাহ আগে মিন্টু নিজ এলাকায় ততৃীয় বিয়ে করেছেন। এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিদ্যুৎ লাইনে শরীর স্পর্শ করার কারণে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বলা সম্ভব হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম