ঢাকা ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে আনসার সদস্যদের সতর্কতায় দুই চোর আটক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, ৯০ কোটি টাকার কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ মহাখালীতে ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলা কিউআরে বাড়ছে লেনদেন, সপ্তাহে ছাড়াল ৭০০ কোটি টাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর ‘অবসরের পর বিচারকদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’ ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট সিলেটে কিশোরীকে শিকল বেঁধে ঘোরানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ ‘আস্থা হারানোর’ কথা জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ আলিস্তারের গোলে লিভারপুলের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

বাড্ডায় এক মাদ্রাসায় ‘ছারপোকার ওষুধ খেয়ে’ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  5:46 PM

news image

রাজধানীর মধ্য বাড্ডা লিংক রোডে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ছারপোকা নিধনের কীটনাশক খেয়ে রিফাত খান (১৭) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জামিয়াতুল বালাগ নামে মাদ্রাসাটির আরেক শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ জানান, সকাল সাড়ে ৭টায় ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন, রিফাত ছটফট করছে। তার বুক জ্বালাপোড়া করছে বলে জানায় সে। তখন মাদ্রাসা শিক্ষকদের জানালে তারা প্রথমে স্বজনদের খবর দেন। পরে স্বজনদের সহযোগিতায় রিফাতকে আলসামি হাসপাতালে নেয়া হয়।

অবস্থার অবনতি দেখে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেয়ার পথে রিফাত জানিয়েছে, সে ছারপোকা নিধনের কীটনাশক খেয়েছে। রিফাতের মা মাহমুদা রহমান জানান, তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। রিফাতের বাবা আব্দুল মান্নান খান ব্যবসায়ী। দুই ভাইবোনের মধ্যে বড় রিফাত। পরিবারটি থাকে মধ্য বাড্ডায়। তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে তাদের বাসা থেকে ৩০ হাজার টাকা চুরি হয়। পরবর্তীকালে সেখান থেকে ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এরপর আবার সেই ২৬ হাজার টাকা চুরি হয়। তখন রিফাতকে তার বাবা সন্দেহ করে মারধর করলে রিফাত জানায়, তার সঙ্গে থাকা জ্বিন তাকে দিয়ে টাকা চুরি করিয়েছে। এরপর সে ২৩ হাজার টাকা বাসা থেকেই বের করে দেয়। তখন তার বাবা তাকে আবার বকাঝকা করে। এরপর সে বাসা থেকে মাদ্রাসায় চলে যায়। আজ সোমবার সকালে মাদ্রাসা থেকে তিনি খবর পান, তার ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সেখানে গিয়ে তিনি ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম