ঢাকা ০৬ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে উপকূলীয় স্থাপনায় মার্কিন হামলা ইউরোপের বুকে প্রথম বাংলাদেশের জয় শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না: তথ্য উপদেষ্টা দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবার ডেঙ্গু আক্রান্তদের রক্তক্ষরণের শঙ্কা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২ অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন পে-স্কেল নিয়ে মিলল বড় সুখবর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

বাড়ির উঠান থেকে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল শিয়াল, জঙ্গলে মিলল মরদেহ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২০ মার্চ, ২০২৫,  3:10 PM

news image

কিশোরগঞ্জে শিয়ালের কামড়ে দুই বছরের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বৌলাই ইউনিয়নের তের হাসিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ইফতারের পর সবার অজান্তে বাড়ির উঠান থেকে শিয়াল শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায়। পরে পাশের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত আরাফ ওই গ্রামের লিংকন মিয়ার ছেলে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। আরাফের দাদা লালু মিয়া বলেন, ইফতার শেষে ঘর থেকে বের হয়ে উঠানে খেলা করছিল আরাফ। হঠাৎ তাকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। বাড়ির আশপাশে সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করা হয়। পরে এলাকার মসজিদে মাইকিং করা হয়। গ্রামের একজন দেখেন, একটি শিয়াল বাচ্চাকে টেনে নিয়ে জঙ্গলের ভেতর যাচ্ছে। তাঁর ডাকচিৎকার শুনে তাঁরা সবাই সেখানে যান। জঙ্গলের ভেতর আরাফকে পাওয়া যায়। তার গলায় কামড়ের দাগ; বুকে পায়ের নকের দাগ। দ্রুত তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক আরাফকে মৃত ঘোষণা করেন। আরাফের বাবা লিংকন মিয়া বলেন, ‘সন্ধ্যায় আমি স্ত্রী–সন্তানকে নিয়ে বাসায় ইফতার করলাম। ইফতার শেষে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর বাড়ির লোকজন আরাফকে খুঁজতে আমার দোকানে যায়। দোকান থেকে এসে দেখি, উঠানে আমার ছেলের মরদেহ পড়ে আছে।’ কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টুটুল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আজ সকালে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, শিয়ালের কামড়েই শিশুটি মারা গেছে। এ বিষয়ে পরিবারের অন্য কোনো অভিযোগ নেই। মরদেহ আজ সকালে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম