ঢাকা ০৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারার হাটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত যে কারণে দল নির্বাচন থেকে নিজেকে দূরে রাখেন তামিম দেশে মহামারি আকার ধারণ করেছে প্রাইভেট টিউশন : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কর্নেল অলি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপন প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ বিএনপির দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩ ট্রেজারি বিল-বন্ডে ব্যক্তি বিনিয়োগ কমেছে আইনের শর্ত উপেক্ষা করে একের পর এক পৌরসভা সিঙ্গাপুর গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাঘারপাড়ায় নিজ ঘরে মা-ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৯ আগস্ট, ২০২৬,  10:59 AM

news image

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় নিজ ঘর থেকে এক গৃহবধূ ও তার শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এটি হত্যা, না আত্মহত্যা- তা এখনও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার খলশী গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় পশু চিকিৎসক আক্তার হোসেন রাত ৯টার দিকে খবর পান জাকিরের স্ত্রী ও শিশু ছেলের মরদেহ খাটের উপর পড়ে আছে। তিনি জানান, মৃত গৃহবধূর নাম জুবায়দা খাতুন (৩২) ও তার মৃত ছেলের নাম জিসান (৬)। গৃহবধূর স্বামীর নাম জাকির হোসেন।


তিনি ঘরে ঢুকে দেখেন, খাটের উপর ছেলে জিসানের হাত ও পা গামছা দিয়ে বাঁধা আছে। একই খাটে জিসানের মা জুবায়দার গলায় ওড়না প্যাঁচানো রয়েছে। তবে ওড়নার দুই প্রান্ত জুবায়দার দুই হাতে ধরা আছে। এরপর আক্তার জিসানের বাবা জাকির হোসেনকে খবর দেন। এসময় বহরামপুর বাজারে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন জাকির।


প্রতিবেশীরা জানান, এ পরিবারের তেমন কোনো শত্রু নেই। হয়তো জুবায়দা তার শিশু ছেলেকে জিসানকে আগে হত্যা করে পরে নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।


জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা জানিয়েছেন, জাকির দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলেন। এক বছর আগে তিনি বাড়ি এসেছেন। 


খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েথানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ জানান, মৃত মা ও ছেলেকে দেখে মনে হচ্ছে না বিষয়টি আত্মহত্যা। ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত না করে কিছুই বলা যাবে না।


রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থল থেকে বাঘারপাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জালাল আলম বলেন, ঘটনাটি সন্দেহজনক। আত্মহত্যা মনে হচ্ছে না। তবে ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম