ঢাকা ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু এইচএসসির ফল প্রকাশ ৩১ অক্টোবর আইনজীবী তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে কখনও পিছপা হয়নি যুবদল: রিজভী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মবের শিকার হবেন না: তথ্য উপদেষ্টা ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন

বাগেরহাটে আপেল খ্যাত টমেটোর চাষ বাড়ছে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৬ জানুয়ারি, ২০২২,  7:02 PM

news image

দেশের দক্ষিণাঞ্চল বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলাতে আপেল খ্যাত টমেটো সারাদেশে সাড়া জাগিয়েছে।এটি দেখতেও অনেকটা অপেলের মত। যে কারনে এটি বাজারে বেশ চাহিদা থাকায়  চাষিরা অনেক লাভবান । উন্নত জাতের এসকল টমেটো স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন সহর বন্দরে রপ্তানি হচ্ছে।  স্থানীয় চাষী এবং ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, টমেটো চাষে এই এলাকা এখন বিখ্যাত। এখানে আগাম প্রচুর জমিতে টমেটোর চাষ হয়। ডিসেম্বর মাসের শুরুতে এটি পাকতে শুরু করে। এ সময় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে টমেটো কিনতে পাইকাররা ভিড় জমান। ফলে দামও বেশ চড়া থাকায় টমেটো চাষ করে বড় অংকের টাকা চাষিদের ঘরে আসে। সে কারনে টমেটো আবাদে চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন।

উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের টমেটো চাষি ভগিরথ মন্ডল, উমাজুড়ী গ্রামের সমির বাড়ৈ, শুরশাইল সেকেন্দার ফরাজীসহ অনেকে বলেন, আগাম টমেটো চাষে লাভবান তারা। প্রতি মণ টমেটো বর্তমান ৩৫০ থেকে ৪০০ বিক্রি করেছেন। এতে আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশী তারা।   স্থানীয় টমেটো ব্যবসায়ী এমদাদুল হক,হাফিজ ফরাজী,শহিদ মোল্লা, ও রেজাউল হোসেন  জানান পান পাতা, হাইটম, বিউটিফুল-২, চক্র, মেজরসহ প্রভৃতি টমেটো চিতলমারীতে উৎপাদিত হয়। এখানকার টমেটোর রাজধানীসহ সারা দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন হাজার-হাজার টন টমেটো ট্রাক যোগে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় পাইকারদের বিড়ম্বনা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার অসীম কুমার দাশ বলেন, এ বছর ৬শ’ ১৫ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের টমেটো চাষ করার লক্ষমাত্র ধরা হয়। পরে তা বেড়ে ৬৫০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে।  উৎপাদিত টমেটোর ফলন হয়েছে ২২হাজার ৭৫০  মেট্রিকটন। চাষির ঘরে যার আসবে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম