ঢাকা ০২ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করতে চান প্রধানমন্ত্রী ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার সংসদে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ৩১ খামেনি হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানজুড়ে সহিংসতা, নিহত ২৩ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি দেশের জন্য অশনিসংকেত ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৯.৫ শতাংশ ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশের রকেট হামলায় ইরানে ২০ ভলিবল খেলোয়াড় নিহত

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর পাচার হয়েছে ৮০ হাজার কোটি টাকা

#

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪,  2:42 PM

news image

জিএফআইয়ের প্রতিবেদন

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে ৭৫৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার বা ৮০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক অর্থিক খাতের গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেগ্রিটি (জিএফআই)। সংস্থাটি বলছে, প্রতি বছর গড়ে ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে তৃতীয় বিশ্বের ছোট্ট এই দেশ থেকে! যার বড় একটি অংশই পাচার হয়েছে তথাকথিত ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে’।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যেভাবেই হোক পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। তারা আরও বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরেই ডলার সংকট, ভঙ্গুর অর্থনীতি, মূল্যস্ফিতিসহ নানাবিধা টানাপোড়েনে দেশের অর্থনীতি, যার অন্যতম কারণ অর্থপাচার। বৈশ্বিক বাণিজ্যভিত্তিক কারসাজি, হুণ্ডি, চোরাচালানসহ নানাবিধ পন্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়েছে লক্ষাধিক কোটি টাকা।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, গেল প্রায় দেড় যুগে দেশীয় ১৯টি ব্যাংকে আত্মসাৎ করা মাত্র ২৪টি ঋণ কেলেঙ্কারির মাধ্যমেই প্রায় একশো হাজার কোটিরও বেশি টাকা, পাচার হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। শুধু ব্যক্তি উদ্যোগেই নয়, অর্থ পাচার প্রক্রিয়ায় পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়েছে দেশের একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি- বেসরকারি ব্যাংকও।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বেশ কয়েক বছর আগেই বাংলাদেশ বহু দেশের সঙ্গে একাধিক চুক্তি করে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সেইসব চুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ জারি রাখতে পারে বর্তমান সরকার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করার ক্ষেত্রে আমাদের বিভিন্ন এজেন্সি আছে। বিদেশের সঙ্গেও আমাদের বেশ কিছু নেটওয়ার্ক আছে। তাই সেগুলোও আমাদের ব্যবহার করতে হবে।

বৈশ্বিক পরিসরের উদ্যোগের পাশাপাশি অর্থ ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে দুর্নীতি দমন কমিশনকেও (দুদক)। প্রয়োজনে টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে নিবিড় অনুসন্ধানের তাগিদ দিচ্ছেন আইনজ্ঞরা।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ বা পাচার করা হলে সেটা উদ্ধার করার সক্ষমতা আছে দুদকের। দ্রুতই যতটুকু সম্ভব অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত, এ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম