ঢাকা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিজয়ী হয়েছি কিন্তু আমাদের কাজ এখানেই শেষ নয়: নাহিদ ইসলাম ঢাকা-৮ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবিতে লিখিত অভিযোগ পাটওয়ারীর সিইসির শপথ পড়ানোর বিষয়ে যা বললেন ইসি আনোয়ারুল আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি : আসিফ মাহমুদ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাখ্যা তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যা বলল রাশিয়ার পর্যবেক্ষক দল বঙ্গভবন নয়, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবে নতুন সরকার এনসিপি নেতা ও সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ

বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৫ জুলাই, ২০২২,  7:57 AM

news image

বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গেইজ রিডার কার্যালয়। পাউবো সূত্রে জানা গেছে, কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার, দৌলতখানের সুরমা-মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৪ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা-মেঘনা নদীর বিপৎসীমা ৯৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে ঝালকাঠির বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর/ পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বরগুনার বিষখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটার বিষখালি নদীর পানি ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে পিরোজপুরের বলেস্বর নদীর পানি বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার ও উমেদপুরের কচা নদীর বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশালের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম  জানান, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের মোট ২৩টি নদীর পানি প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি নদীর পানি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে বিভাগের অনেক নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। এদিকে কীর্তনখোলা নদীর পা‌নি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় বরিশাল নগরের নিম্নাঞ্চলসহ বি‌ভিন্ন এলাকা পা‌নির তলিয়ে যায়। নগরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়‌কেও নদীর পা‌নি উঠে যায়। নগরের ভা‌টিখানা এলাকার বা‌সিন্দা মইনুল ইসলাম ব‌লেন, সকাল থে‌কে বাসার বাইরে বের হ‌তে পা‌রি‌নি। অফিসেও যে‌তে পা‌রি‌নি। বাসার সাম‌নে হাঁটু সমান পা‌নি। নদী‌তে পা‌নি বাড়ায় রাস্তায়ও পা‌নি বাড়‌ছে। হাট‌খোলা এলাকার বা‌সিন্দা জিয়াউল ক‌রিম বাংলানিউজকে ব‌লেন, আমার বাসার সাম‌নে দুপু‌রের পর থে‌কেই পা‌নি ওঠা শুরু ক‌রে। সন্ধ্যার পর্যন্ত পা‌নি না‌মে‌নি। অনেকে ঘরব‌ন্দী হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছেন। আমা‌দের পার্শ্ববর্তী রসূলপুর এলাকায়ও অনেক পা‌নি উঠেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম