NL24 News
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, 10:56 PM
বরগুনায় হাত-পা বাঁধা মাদরাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া মাদরাসাছাত্রী তানজিলা। বরগুনার আমতলী উপজেলায় মুক্তিপণ না পেয়ে অপহরণের দুইদিন পর পুজাখোলা গ্রামের খালের চরে হোগলপাতার ক্ষেত থেকে তানজিলা নামের এক ষষ্ঠ শ্রেণীর মাদরাসাছাত্রীর হাত-পা বাঁধা ও গলায় স্কার্ফ পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তানজিলার চাচাতো ভাই হৃদয় খানকে (১৮) পুলিশ আটক করেছে। জানা গেছে, উপজেলার পুজাখোলা গ্রামের তোফাজ্জেল খানের মেয়ে তানজিলা। সোমবার সকালে সে বাড়ীর সামনে বের হয়। এ সময় তানজিলাকে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওইদিন রাতে হৃদয় খানের (১৮) মোবাইল থেকে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। বাবা তোফাজ্জেল খান মুক্তিপণ দিতে বিলম্ব হয়। কিন্তু এরপর থেকে ওই মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার তানজিলার বাবা তোফাজ্জেল খান আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ হৃদয় খানকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে অপহরণের দুইদিন পরে তানজিলার বাড়ীর সামনে খালের চরে হোগলপাতার ক্ষেতের মধ্য থেকে বুধবার দুপুরে তার হাত-পা বাঁধা ও গলায় স্কার্ফ পেঁচানো মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে। আটককৃত হৃদয় তানজিলার চাচাতো ভাই। হৃদয় খানের বাবার নাম শহীদুল খান। পুলিশ ওইদিন বিকেলে মরদেহের ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে। খবর পেয়ে বরগুনা পুলিশ সুপার আব্দুস ছালাম ও ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তানজিলার বাবা তোফাজ্জেল খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, একটি মোবাইল ফোন থেকে আমার কাছে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আমি মুক্তিপণ দিতে বিলম্ব করায় আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত হৃদয় খানকে আটক করা হয়। এ ঘটনার হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।