নিজস্ব প্রতিবেদক
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 10:58 AM
বন্দরে আটকে আছে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য
রপ্তানি বিপর্যয়ের দ্রুত সমাধান চায় ইউরোচ্যাম। এই পরিস্থিতির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি বাড়ছে এবং রপ্তানি কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান অচলাবস্থা নিয়ে আবারও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স (ইউরোচ্যাম বাংলাদেশ)। তাদের মতে, এই পরিস্থিতির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি বাড়ছে এবং রপ্তানি কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে দেশের সরবরাহব্যবস্থার ওপর বৈশ্বিক আস্থা কমছে। সম্প্রতি কর্মবিরতির কারণে বন্দরের কার্যক্রম প্রায় পুরোপুরি স্থবির হয়ে গেছে, ফলে পণ্য ও কনটেইনার চলাচলে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ইউরোচ্যাম জানিয়েছে, বর্তমানে ১৩ হাজার কনটেইনারে আনুমানিক ৬৬০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় আট হাজার কোটি টাকা) মূল্যের পণ্য আটকে আছে। ফলে রপ্তানিসূচি ভেঙে পড়ছে, পণ্য সময়মতো সরবরাহ করা যাচ্ছে না এবং লজিস্টিক খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোচ্যাম বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় চালু করার আহবান জানিয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় চলমান বিরোধ সমাধানের পাশাপাশি দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে বন্দর আধুনিকায়নেরও দাবি জানিয়েছে তারা। চট্টগ্রাম বন্দরে এ অচলাবস্থা মূলত ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে বন্দর ইজারার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সংগ্রাম পরিষদের কর্মবিরতির কারণে। চট্টগ্রাম বন্দর দেশের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি পরিচালনা করে এবং রপ্তানিনির্ভর শিল্পের প্রধান প্রবেশদ্বার। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ রপ্তানি কনটেইনার হ্যান্ডল হয়। সূত্র: কালের কণ্ঠ