সংবাদ শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ জুন, ২০২৩, 12:05 PM
বক্তব্য প্রত্যাহার করতে ডা. সংযুক্তাকে সেন্ট্রাল হাসপাতালের লিগ্যাল নোটিশ
সেন্ট্রাল হাসপাতাল নিয়ে দেয়া বক্তব্য সাতদিনের প্রত্যাহার করতে ডা. সংযুক্তা সাহাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।বুধবার (২১ জুন) ডা. সংযুক্তা সাহার বাসার ঠিকানায় এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। সেন্ট্রাল হাসপাতালের পক্ষে আইনজীবী মো. মাজহারুল ইসলাম নোটিশটি পাঠান। নোটিশে সাতদিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে বলা হয়, গত ২৪ বছর ধরে সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে রোগীদের সেবা দিয়ে আসছে সেন্ট্রাল হাসপাতাল। কিন্তু ডা. সংযুক্তা সাহার মিথ্যা, জাল এবং বানোয়াট বিবৃতিগুলি অত্যন্ত মানহানিকর হাসপাতালের জন্যে। এর ফলে সেন্ট্রাল হাসপাতালের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সেন্ট্রাল হাসপাতালে নবজাতক ও মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় গত মঙ্গলবার পরীবাগে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন সংযুক্তা সাহা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সেন্ট্রাল হাসপাতালে প্রয়াত মাহবুবা রহমান আঁখিকে ভর্তির সময় উপস্থিতির ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছেন। হাসপাতালের পক্ষ থেকে এ ধরনের অসদাচরণ, অপরাধমূলক পদক্ষেপ আমার সুনামকে বেআইনিভাবে পুঁজি করে কিছু আর্থিক লাভের জন্য রোগীদের বিভ্রান্ত করার অপকৌশল ছাড়া আর কিছুই না।’ অভিযুক্ত ডা. সংযুক্তা সাহা বলেন, ‘আঁখি আমার রোগী ছিলেন না। তিনি কুমিল্লার একটি স্থানীয় হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়েছেন। এ বছরের মার্চে তিনি দুই বার সেন্ট্রালে এসে আমাকে দেখিয়েছিলেন। নিয়মিত রোগী হতে হলে একজন গর্ভবতীর গর্ভাবস্থার শুরুতে প্রতি মাসে একবার এবং শেষের দিকে দুই সপ্তাহে একবার দেখাতে হয়। আঁখি আমার নিয়মিত রোগী ছিলেন না।’ ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী আঁখি অস্ত্রোপচার ছাড়া সন্তানের জন্ম দেয়ার আশায় গিয়েছিলেন ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে। কিন্তু ভুল চিকিৎসায় সদ্যজাত সন্তান মারা যায়। এর সাত দিনের মাথায় মৃত্যু হয় মাহবুবা রহমান আঁখির। মাহবুবা রহমান আঁখিকে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত ৯ জুন সি-সেকশন সার্জারির সময় নবজাতকের মৃত্যু হয় এবং মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। এরপর আঁখি ১১ জুন থেকে বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আঁখির স্বামী ইয়াকুব আলী চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও মিথ্যাচারের অভিযোগ এনে গত ১৪ জুন ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন।
সম্পর্কিত