ঢাকা ১৮ জুলাই, ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম
মেরুল বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের অবস্থান, যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ত্রিমুখী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র যাত্রাবাড়ী শিক্ষার্থী শূন্য জাবির হল, ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ-পানি-ইন্টারনেট বন্ধ বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ ১৪ দলের সঙ্গে আ.লীগের মতবিনিময় সভা স্থগিত শাটডাউনকে পুঁজি করে সহিংসতা সহ্য করা হবে না: কাদের আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ, ভোগান্তিতে মানুষ নির্মাণাধীন ভবনের দশতলা থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

ফেসবুকে কাউকে এড়িয়ে চলার কৌশল

#

আইটি ডেস্ক

১৯ নভেম্বর, ২০২৩,  10:31 AM

news image

বন্ধু তালিকায় অনেকেই থাকেন, যাদের সেখানে থাকাটা একসময় আর আরামদায়ক মনে হয় না। সে ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে তাদের বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া। আনফ্রেন্ড করার মাধ্যমে নিজের ফেসবুককে সীমাবদ্ধ ও সুরক্ষিত রাখা যায়। তবে সে ক্ষেত্রে পোস্ট প্রাইভেসি ‘ফ্রেন্ডস’ রাখাটাই সমীচীন। পাঁচটি কৌশল মেনে চললে ফেসবুকে গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক ওই পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে...

পোস্টের প্রাইভেসি নির্ধারণ : ফেসবুকে পাবলিক, ফ্রেন্ডস, ফ্রেন্ডস এক্সেপ্ট, ওনলি মি ও কাস্টম নামে পাঁচ ধরনের প্রাইভেসি অপশন রয়েছে।

‘পাবলিক’ প্রাইভেসিতে বন্ধু তালিকার বাইরের লোকজনও পোস্টটি দেখতে পারেন, ‘ফ্রেন্ডস’ প্রাইভেসিতে শুধু বন্ধু তালিকার লোকজন পোস্ট দেখতে পারেন। ‘ফ্রেন্ডস এক্সেপ্ট’ প্রাইভেসিতে বন্ধু তালিকায় থাকলেও তারা পোস্ট দেখতে পারবেন না।

‘ওনলি মি’ প্রাইভেসিতে শুধু পোস্ট প্রদানকারী এবং ‘কাস্টম’ অপশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু লোককে উদ্দেশ করে পোস্ট দেওয়া যায়। শুধু আলাদা পোস্ট নয়, প্রোফাইলে থাকা যে কোনো তথ্য যেমন ইমেইল অ্যাড্রেস, ফোন নম্বর, ঠিকানা, পড়াশোনা বা পেশাসংক্রান্ত তথ্য, জন্মতারিখ ইত্যাদি বিষয়েও বিভিন্ন প্রাইভেসি বাছাই করে দেওয়া যায়।

প্রোফাইল সার্চ লিমিট : ব্যক্তিজীবন বা কর্মজীবনে আমরা এমন অনেককেই চিনি, যাদের কাছে আমাদের ফেসবুক প্রোফাইল সম্পর্কে কোনো তথ্য শেয়ার করতে চাই না। এমনকি আমাদের যে ফেসবুক প্রোফাইল আছে, সে বিষয়টিও তাদের জানতে দিতে চাই না। কিন্তু সৌজন্যের খাতিরে তাদের মুখের ওপর কিছু বলাও যায় না।

এমন পরিস্থিতিতে করণীয় হচ্ছে, আগে থেকেই প্রোফাইলের ‘সার্চ লিমিট’ ঠিক করে নেওয়া। কেননা ফোন নম্বর থাকলেই সাধারণত ‘পিপল ইউ মে নো’ তালিকায় ফেসবুক প্রোফাইল চলে আসার একটা সম্ভাবনা থাকে। প্রোফাইলের নাম অনুসন্ধান সীমাবদ্ধ করার জন্য সেটিংসে গিয়ে ‘অডিয়েন্স অ্যান্ড ভিজিবিলিটি’ অপশনে নিজের সুবিধামতো পরিবর্তন করে নিতে হবে।

মেসেজিং প্রাইভেসি নির্ধারণ : অযাচিত বার্তা পেতে কেউই চায় না। এ জন্য মেসেজিং প্রাইভেসি সীমাবদ্ধ করা খুবই দরকারি। কাউকে ব্লক না করেও তার বার্তাটি মেসেজ রিকোয়েস্টে রেখে দেওয়ার মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়া যায়। এ ছাড়া মেসেজ আর্কাইভ করে দেওয়াও সাময়িক কার্যকর একটি কৌশল।

আনফ্রেন্ড করা : বন্ধু তালিকায় অনেকেই থাকেন, যাদের সেখানে থাকাটা একসময় আর আরামদায়ক মনে হয় না। সে ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে তাদের বন্ধু তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া। আনফ্রেন্ড করার মাধ্যমে নিজের ফেসবুককে সীমাবদ্ধ ও সুরক্ষিত রাখা যায়। তবে সে ক্ষেত্রে পোস্ট প্রাইভেসি ‘ফ্রেন্ডস’ রাখাটাই সমীচীন।

ব্লক বা রেস্ট্রিক্ট করা : আনফ্রেন্ডের চূড়ান্ত পর্যায় বলা যায় ফেসবুকে কাউকে ব্লক বা রেস্ট্রিক্ট করে দেওয়া। মেসেজে ব্লক করলেও যে কেউ প্রোফাইলের প্রাইভেসি অনুযায়ী কমেন্ট ও রিঅ্যাকশন দিতে পারেন। তবে কাউকে ব্লক করলে সাধারণত তিনি বুঝতে পারেন। বিষয়টি এড়াতে চাইলে প্রোফাইল রেস্ট্রিক্ট করে দেওয়া যায়। এটা করলে মেসেজ পাঠালেও সেটি এসে পৌঁছায় না।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম