নিজস্ব প্রতিনিধি
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, 2:34 PM
ফেনীবাসীর প্রাণের দাবি কামাল উদ্দিন মজুমদারকে এমপি হিসেবে দেখতে চায়
-আমৃত্যু জনগণের সেবা করে যেতে চাই
অসহায়, দুঃখী, ছিন্নমূল হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ, আস্থাভাজন ও এলাকাবাসীর সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন পরশুরাম উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও আ.লীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন মজুমদার। তবে এসব প্রসংশায় তিনি গা ভাসাতে নারাজ। তার সোজাসাপ্টা কথা-আমৃত্যু ফেনীর পরশুরাম-ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনের জনগণের সেবা করে যেতে চাই। তারজন্যই এই আসনে এইবার দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। ১৯৮৮ সালে পরশুরাম কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য পদ দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৯০ সালে পরশুরাম থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালের ২৫ এপ্রিল প্রথম পরশুরাম সদর ইউনিয়নের চেয়ার প্রতীকে নির্বাচন করে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আর এখান থেকে শুরু হয় জনগণের কাছে যাওয়া বা জনপ্রতিনিধির অধ্যায়। এরপর তিনি মূলদল তথা ১৯৯৪ সালে পরশুরাম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত। ১৯৯৭ সালে চেয়ার প্রতীকের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান ২য় দফায় নির্বাচিত হন কামাল উদ্দিন মজুমদার। তৎকালীন আওয়ামী ক্ষমতা থাকাকালীন ১৯৯৮ সালে সরকার কতৃক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একই বছর তিনি পরশুরাম থানা আওয়ামী লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত। পরশুরাম পৌরসভা গঠনের পর ২৫ই এপ্রিল প্রথম পৌর প্রশাসক নির্বাচিত হন ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা তৃণমূলের এই নেতা। ২০০২ সালে পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পরাজয় বরন করেন। ২০০৩ সালে পরশুরাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন দ্বিতীয় বারের মত। ২০০৯ সালে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে প্রথম পরশুরাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে তৃতীয় বারের মত পরশুরাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে দ্বিতীয় বারের মত পরশুরাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথমবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। কামাল মজুমদার আশা করেন, তিনি এইবার দলীয় মনোনয়ন পাবেন এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে দল ও জনগণের সেবা করতে পারবেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়ন ও স্থানীয় রাজনীতিকে যেভাবে সুসংগঠিত করে সাজিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন সেখানে কামাল উদ্দিন মজুমদার বিকল্প কোন প্রার্থী নেই। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ-যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মী ও সাধারণ এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কামাল মজুমদার তৃণমূল আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত নেতা ও একমাত্র জনপ্রতিনিধি। ফেনী-১ আসনে তার বিকল্প নাই। এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে পরশুরাম উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও আ.লীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন মজুমদারকে আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে আদর্শিত ক্যারিশমাটিক নেত্রী প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরতœ শেখ হাসিনার স্মাট বাংলাদেশ বিনির্বানের লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন নানান গুনে গুনান্নিত, তরুন, মেধাবী, দূরদর্শী নেতৃত্বের অধিকারী জনবান্ধব রাজনৈতিক নেতা কামাল উদ্দিন মজুমদার। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কামাল উদ্দিন মজুমদার বলেন, আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে অসহায়, দুঃখী, ছিন্নমূল হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল রূপকার, স্মার্ট বাংলাদেশের দূর্বার স্বপ্নসারথী এবং স্বপ্নদ্রষ্টা, আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি এবং অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতির বিশ্বনন্দিত রোলমডেল মানবিক নেতা, গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ রূপান্তরে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবো।