ঢাকা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে প্রাইম ব্যাংক-লাইফপ্লাস-এর চুক্তি স্বাক্ষর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি : মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সবাই এখন মুক্ত: তারেক রহমান তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন আসনে বিজয়ীদের সাক্ষাৎ লক্ষ্মীপুরে ২১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা বাবার পথ ধরে সংসদে যাচ্ছেন যেসব সন্তান নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কবে, জানালেন প্রেস সচিব পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর বিজয়ী জনগণ আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না : আলী রীয়াজ

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ২৯ বস্তা টাকা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩০ নভেম্বর, ২০২৪,  11:06 AM

news image

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ২৯ বস্তা টাকা। এখন চলছে গণনা। মসজিদটির ৯টি দানবাক্স রয়েছে। যেগুলো সাধারণত তিন মাস পরপর খোলা হয়। এবার খোলা হয়েছে ৩ মাস ১৪ দিন পর। ৯ টি দানবাক্স ছাড়াও এবার দুটি ট্রাঙ্ক যুক্ত করা হয়েছে।  অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মিজাবে রহমতের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে শনিবার সকাল ৭ টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুবেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো. এরশাদ মিয়া, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) রওশন কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এখন চলছে গণনার কাজ। গণনা শেষে টাকার পরিমাণ জানা যাবে। ডিসি ফৌজিয়া খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকাল ৭ টার দিকে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে ৯টি দানবাক্স ও দুটি ট্রাঙ্ক খোলা হয়। পুুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। টাকা গণনা শেষে ব্যাংকে পৌঁছে দেয়া পর্যন্ত পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। টাকা গণনার কাজে জেলা প্রশাসনের কর্মী ছাড়াও রয়েছেন মাদ্রাসার ২৮৫ ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ কর্মী, মসজিদ কমিটির ৩৪ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ সদস্য। দানবাক্সগুলো খোলার পর গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। এর আগে গত ১৭ আগস্ট সকালে মসজিদটির নয়টি দানবাক্স খুলে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সে সময় গণনা শেষে টাকার পরিমাণ ছিল ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬। সেইসঙ্গে মিলেছিল বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গহনাও। মসজিদটিতে নিয়মিত হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলসহ নানা ধরণের জিনিসপত্র দান করেন অসংখ্য মানুষ। জেলা শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে পাগলা মসজিদ গড়ে ওঠে। সম্প্রসারণের পর বর্তমানে মসজিদের আওতাভুক্ত জমির পরিমাণ তিন একর ৮৮ শতাংশে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম