ঢাকা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যা বলল রাশিয়ার পর্যবেক্ষক দল বঙ্গভবন নয়, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবে নতুন সরকার এনসিপি নেতা ও সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩২ ১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ তারেক রহমানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ফরিদপুর-৪ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

নড়াইলে অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত: মামলার অন্যতম আসামি নুরুন্নবী আটক

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৪ জুলাই, ২০২২,  10:16 AM

news image

নড়াইলে অধ্যক্ষ লাঞ্ছিতের মামলার অন্যতম আসামি মো. নুরুন্নবীকে যশোরের মনিহার সিনেমা হলের পাশ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে মো. নুরুন্নবীকে গ্রেফতার করে নড়াইলে নিয়ে আসে। রাত সাড়ে ১২ টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মাহমুদুর রহমান। মাহমুদুর রহমান জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে মামলার অন্যতম আরেক আসামি মো. নুরুন্নবীকে সনাক্ত করা হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৩ জুলাই) রাতে নুরুন্নবীকে যশোরের মনিহার সিনেমা হলের পাশ থেকে গ্রেফতার করে নড়াইলে আনা হয়েছে।

এ নিয়ে এই মামলায় মোট গ্রেফতার করা হয়েছে ৫ জনকে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে আছে। সদর থানা পুলিশ জানায়, মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত, শিক্ষকদের ৩টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়া এবং পুলিশের কাজে বাঁধা দেয়ার ঘটনায় গত ২৭ জুন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের এবং ওই রাতেই স্থানীয় ৩ জনকে গেফতার করে। গত ২৯ জুন মামলার অন্যতম আসামি রহমত উল্লাহ রনিকে খুলনার বয়রা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রহমতউল্লাহ রনি বিশ্বাস, মনিরুল ইসলাম রুবেল, শাওন খান ও সৈয়দ রিমন আলীকে রোববার থেকে ৩দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র রাহুল দেব রায় নিজের ফেসবুক আইডিতে নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে মন্তব্য করেন, “প্রনাম নিও বস ‘নূপুর শর্মা’ জয় শ্রী রাম”। গত ১৮ জুন রাহুল কলেজে আসার পর তার সহপাঠীরা বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষকে জানালে তিনি উপস্থিত শিক্ষকদের পরামর্শক্রমে রাহুলকে স্থানীয় বিছালী পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা বিক্ষুদ্ধ হয়ে শিক্ষকদের ৩টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ফেলে। একপর্যায়ে পুলিশের লাঠিচার্জ ও এলাকাবাসীর ইটপাটকেল নিক্ষেপে কলেজ শিক্ষক, পুলিশসহ ১২জন আহত হয়। বিকেলে পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার বিশ্বাসসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং এ সময় অভিযুক্ত রাহুলকে পুলিশ আটক করে পরদিন তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম