ঢাকা ০২ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ৫০ কারখানায় ছুটি ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কর্মজীবনে যেন প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় ‘বান্ধবী’ দিশা গ্রেফতার পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে মিশে আ.লীগ-ছাত্রলীগের নাশকতা, গ্রেফতার ১১ সাপাহারে জাতীয় যুব দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রের গানে তিনজন একসঙ্গে কলাপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলো পোশাকশ্রমিকরা সোমবার থেকেই ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু : শাহে আলম আগামী গ্রীষ্মে সোলার বিদ্যুতে কমবে লোডশেডিং: জ্বালানিমন্ত্রী

নীলফামারীতে ৯ দিন সূর্যের দেখা নেই, বিপর্যস্ত জনজীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৭ জানুয়ারি, ২০২৪,  5:55 PM

news image

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে হিমেল হাওয়ার সঙ্গে জেঁকে বসা শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতের দাপটে বেশ কাবু হয়ে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষরা। টানা ৯ দিন ধরে নীলফামারীতে সূর্যের দেখা নেই। ঘন কুয়াশায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সেই সঙ্গে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘরের বাইরে বের না হওয়ায় রাস্তাঘাট, হাটবাজার, রেলস্টেশন বাস টার্মিনালসহ পাবলিক প্লেসে লোকজনের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা অফিসে গেলেও কাজকর্মে চলছে স্থবিরতা। জীবিকার তাগিদে নিম্ন আয়ের মানুষরা বের হলেও কাজ না পেয়ে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বিশেষকরে রিকশা-ভ্যানচালক, দিনমজুর, কৃষি শ্রমিকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।জেলার সৈয়দপুরের রিকশা চালক আব্দুল জব্বার (৪৭) বলেন, তীব্র ঠাণ্ডায় কাজে যেতে পারছি না। অভাবের সংসার, কাজে যেতে না পারায় খুব সমস্যায় আছি।রাজমিস্ত্রীর যোগালী শমসের আলী (৫৩) বলেন,

গত কয়েকদিন ধরে রোদ ওঠে না। ঠাণ্ডার কারণে রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে গেছে। বাড়িতে বসে থাকলে পেটে খাবার জুটবে না। বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও রাস্তায় বেরিয়েছি। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। কয়েক দিন থেকে নীলফামারীর তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এ রকম তাপমাত্রা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কম। এদিকে ঠাণ্ডা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বেড়েছে। নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসিবুর রহমান বলেন, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এ সময় চলাফেরায় সবাইকে সাবধান হতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ঠাণ্ডা লাগানো একেবারেই যাবে না। নীলফামারীর জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বলেন, শীত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা প্রস্তুত আছে। শীতবস্ত্র হিসেবে জেলার ৬ উপজেলা ও চার পৌরসভায় তিন দফায় ৩৬ হাজার ৮৮০টি কম্বল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শীতার্ত মানুষদের কথা চিন্তা করে আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুতই সেগুলো পাওয়া যাবে। তা পেলেই আবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম