ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডেমরায় কালি তৈরির কারখানায় আগুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সাক্ষাৎ দুর্ঘটনার সময় বাসে আটকে মৃত্যু ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা বিআরটিএর হাইকোর্টে জামিন পেলেন ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ইমি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত সরকারের ‘বড় ভুল’ ছিল দুই মামলায় জামিন পেলেন আইভী ব্যাটারিচালিত রিকশা গলার কাঁটা, দিনে গিলছে ৯০০ থেকে ১১০০ ওয়াটবিদ্যুৎ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমল ইরানি রিয়ালের রেকর্ড পতন, অতিষ্ট জনজীবন লিমনের মরদেহ দেশে ফিরবে ৪ মে

নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্য রাতে নদীতে নামবেন জেলেরা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  11:23 AM

news image

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকা সংরক্ষণে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞার শেষে এখন মেঘনা পাড়ের জেলেরা ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে জেলার অর্ধলক্ষাধিক জেলে মাছ ধরতে নদীতে নামবেন। ফলে জেলে পাড়াগুলো এখন সরগরম হয়ে উঠেছে। মৎস্য বিভাগ বলছে এ বছর জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার পুরান বাজার রনাগোয়াল, দোকানঘর, বহরিয়া, হরিণাঘাট এবং আনন্দ বাজার এলাকায় জেলে পাড়া ঘুরে জেলেদের ইলিশ ধরার প্রস্তুতি দেখা যায়। জেলেদের মধ্যে কেউ কেউ জাল মেরামত করছেন, মিস্ত্রিরা নৌকা মেরামত এবং অনেক জেলেকে নৌকা নদীতে নামাতে দেখা গেছে।আনন্দ বাজার এলাকার জেলে মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানলেও আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। এখন আবার জাল-নৌকা প্রস্তুত করেছি নদীতে নামার জন্য। বহরিয়া এলাকার জেলে খোরশেদ আলম বলেন, নৌকা-জাল মেরামত করতে (ছোট নৌকা) প্রায় ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিতে হয়েছে। এখন যদি ইলিশ পাওয়া যায় ঋণ শোধ করা যাবে এবং সংসারও চলবে। একই এলাকার জেলে ফারুক গাজী বলেন, ইলিশ পাওয়ার আশায় ঋণ করে নৌকা প্রস্তুত করেছি। আমার নৌকায় সাতজন কাজ করে। ইলিশ পেলে আমাদের সংসার চলবে, না হয় কিস্তি নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে। কারণ সরকারিভাবে যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে তাতে সংসার চলে না। চাঁদপুর সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, নিষেধাজ্ঞার দুই মাসে চাঁদপুরের ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকায় আমরা দিন ও রাতে অভিযান পরিচালনা করেছি। যেসব জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরেছে এমন প্রায় দুই শতাধিক জেলেকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। তবে এই অভিযানের ফলে যেমন জাটকা রক্ষা হয়েছে, তেমনি জাতীয়ভাবে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ৪ মাস ৪০ কেজি করে ১৬০ কেজি বিজিএফ চাল দিয়েছে। পাশাপাশি এবছরই প্রথম জাটকা প্রবণ এলাকার জেলেদের চালের পাশাপাশি অন্যান্য খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম