ঢাকা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পিএস পদে বিচারকের বৈধতা জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়ায়: ডা. জাহেদ জাপান থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের সমান অগ্রাধিকার পাচ্ছে উপ-নির্বাচন: সিইসি পুলিশকে পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায় সরকার’ বিচার ব্যবস্থাকে মানুষের আস্থার জায়গায় আরও সুদৃঢ় করতে চাই: আইনমন্ত্রী

নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩০ এপ্রিল, ২০২২,  5:04 PM

news image

জাটকা সংরক্ষণে দেশের ৫টি অভয়াশ্রমে দুই মাস জাটকা ধরা নিষিদ্ধ ছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আজ চাঁদপুরের ৫২ হাজার জেলে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরতে নামছেন। ইতিমধ্যে নদীতে নামার সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছেন তারা। এতে জেলেপাড়ায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জানা গেছে, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণে অন্যান্য স্থানের মতো চাঁদপুরের মতলব উত্তর ষাটনল থেকে হাইমচরের চরভৈরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার এলাকায় দুই মাস জাটকা ধরা নিষিদ্ধ ছিলো। এতে জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় নিবন্ধিত ৪৪ হাজার ৩৫ জন জেলেকে খাদ্য সহায়তা দেয় সরকার। সহায়তা পেলেও মাছ ধরতে না পারায় ঋনে জর্জরিত হয়ে আছেন জেলেরা। এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলার মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান জানান,

জাটকা সংরক্ষণে প্রায় দুই মাস চাঁদপুর, ভোলা, লক্ষীপুরসহ দেশের ৫টি স্থানে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিলো। এবারের নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর হওয়ায় এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে ইলিশের উৎপাদন খুব একটা বাড়বে বলে মনে করছেন না জেলেরা। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, চাঁদপুরে কিছু জেলে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলেও রাতে মেঘনার চরাঞ্চলে জাটকা নিধন করা হয়েছে দেদারছে। সেখানে টাস্কফোর্সও পৌঁছাতে পারেনি। চাঁদপুর সদর উপজেলার আনন্দ বাজার, হরিনা, বহরিয়া, লক্ষ্মীপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা গেছে, জেলেদের নৌকা মেরামতের কাজ শেষ। আজ মধ্যরাত থেকে তারা নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইলিশ ধরার জন্য নৌকা ও চান্দি জাল নিয়ে প্রস্তুত চাঁদপুর সদর উপজেলার আনন্দ বাজার এলাকার মোস্তফা বেপারী। তিনি জানান, চাঁদপুর নৌ-সীমানায় ইলিশ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে আমরা ভোলা জেলার দৌলত খাঁ এলাকায় বেশির ভাগ সময় ইলিশ ধরতে যাই। যারা নদীতে নেমেছে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্ছার ছিলো প্রশাসন। অন্যান্য বছর আটককৃতরা অধিকাংশই ছিল অন্য জেলার। এ বছর আটককৃতদের বেশির ভাগই ছিলো চাঁদপুর জেলার। প্রবীণ জেলে ইমান হোসেন বেপারী বলেন, পদ্মা-মেঘনা নদীতে অনেক চর জেগেছে। নদীর নাভ্যতা সংকটের কারণে ইলিশের বিচরণ কমে যাচ্ছে। অন্যান্য প্রজাতির মাছ ধরা পড়লেও বড় ইলিশ ধরা পড়ছে না। তারপরও ২মাস বেকার থাকার পর জীবন জীবিকার তাগিদে আজ মধ্য রাত থেকে আবারও নদীতে নামতে হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম