নিখোঁজের সাত দিন পর মিললো শিশুর টুকরো মরদেহ
নিজস্ব প্রতিনিধি
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 11:29 AM
নিজস্ব প্রতিনিধি
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 11:29 AM
নিখোঁজের সাত দিন পর মিললো শিশুর টুকরো মরদেহ
পাবনা সদর উপজেলার কুলোনিয়া গ্রামে নিখোঁজের সাত দিন পর কামরুন্নাহার কলি (১০) নামে এক শিশুর টুকরো করা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, কলিকে হত্যার পর বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলে রেখেছিল দুর্বৃত্তরা। পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত কামরুন্নাহার কলি পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে যায় কলি।
বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে চলে যায় সে। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে শিশুটির পরনের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন নিহতের স্বজন ও সহপাঠীরা। এর এক দিন পর বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি শিশু কলির বলে শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।
স্থানীয়দের ধারণা, তাকে হত্যার পর বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এসব বিষয় তদন্ত করছে পুলিশ। আশা করছি, শিগগিরই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।