ঢাকা ১৫ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদে লম্বা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: নির্বাহী আদেশে ২৫ মে বন্ধ অফিস ২০২৭ সালে এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা, সেই ফোরকানের লাশ মিলল পদ্মায় শাপলা চত্বর মামলায় দীপু মনি-রূপা-মোজাম্মেল বাবু গ্রেপ্তার দেশের প্রয়োজনে মুক্তিযোদ্ধারা আবারও রাজপথে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানি হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নদীর বাঁধ ভেঙে হালুয়াঘাটের ২০ গ্রাম প্লাবিত দেশে ভোটার বাড়ল ৬ লাখ ২৮ হাজার সাতকানিয়ার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

নতুন পে স্কেলের প্রথম ধাপে গুরুত্ব পাবেন যারা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মে, ২০২৬,  10:59 AM

news image

বাস্তবায়নের পথে পে স্কেল। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বেতন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মূলত নিম্ন আয়ের কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের অভিভাবকদের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে বিপুল অংকের আর্থিক সংশ্লেষ থাকায় প্রথম ধাপে সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। সূত্র মতে, নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এ অর্থ দিয়ে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর মূল বেতনের অর্ধেক বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ, যারা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারী, মুদ্রাস্ফীতির বাজারে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতেই প্রথম কিস্তির বড় অংশ ব্যয় হবে। কমিশন সর্বনিম্ন ধাপের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার যে সুপারিশ করেছে, তার একটি বড় অংশ শুরুতেই কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। এর ফলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা তাৎক্ষণিক স্বস্তি পাবেন। নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশে সবচেয়ে মানবিক দিকটি হলো পেনশনভোগীদের জন্য বিন্যাস। যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন স্কেল কার্যকর করার প্রথম ধাপেই এই ক্ষুদ্র পেনশনভোগীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। অন্যদিকে, যারা উচ্চ অংকের পেনশন পান, তাদের বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম (৫৫ থেকে ৭৫ শতাংশ) রাখা হয়েছে, যাতে বরাদ্দের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়। প্রস্তাবিত কাঠামোতে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা বিদ্যমান ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি প্রথম ধাপেই কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া সকল পর্যায়ের কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার বিষয়টিও শুরুর অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের কোনো প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে তাদের জন্য মাসিক দুই হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব করেছে কমিশন। অর্থ বিভাগ এ মানবিক প্রস্তাবটিকে প্রথম ধাপেই কার্যকর করার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। এটি সরাসরি কার্যকর হলে সরকারি চাকুরিজীবী পরিবারের একটি বিশেষ অংশ সরাসরি উপকৃত হবে। কেবল নিম্নস্তর নয়, সরকারি চাকরিতে মেধাবীদের ধরে রাখতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উচ্চপদের বড় অংকের সুযোগ-সুবিধাগুলো পরবর্তী দুই অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম