নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ অক্টোবর, ২০২৩, 11:05 AM
দারুসসালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীর মিরপুরে দারুসসালাম থানার লালকুঠির এলাকায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শাহ আলম ১০ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। শাহ আলম (৩৫) স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিলের গ্রুপের সদস্য। মিরপুর ১০ নং ওয়ার্ড থেকে এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন তিনি। স্বজনরা জানান, রাতে বাসায় ফেরার পথে মিরপুর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মো. ইসলামের নেতৃত্বে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয় তাকে। স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোহাম্মদ ইসলাম ও নাবিল গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মোহাম্মদ ইসলাম দারুস সালাম থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি। নাবিল সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য। প্রায়ই দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। গতকাল বিমানবন্দর এলাকার কাওলায় আওয়ামী লীগের জন সভাস্থলে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এতে ইসলাম আহত হন। এর জের ধরে জনসভা শেষে দারুস সালামে ফেরার পর ইসলাম গ্রুপের লোকজন নাবিলের বাড়িতে হামলা করে। এই সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় নাবিলের লোকজন রাতে থানায় অভিযোগ দিতে যায়। একপর্যায়ে নাবিল গ্রুপের সদস্য শাহ আলমকে সড়কে পেয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে আহত করে ইসলাম গ্রুপের লোকজন। এক নারী সাংবাদিক আহত হন। পূর্বপরিচিত শাহ আলমকে নিয়ে তিনি থানার দিকে যাচ্ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শাহ আলমকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর পায়ে ও কোমরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা গেছেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সাভারের মোগড়াকান্দায়। নিহত শাহ আলমের মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলীর সন্তান।