ঢাকা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
‘দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায় সরকার’ বিচার ব্যবস্থাকে মানুষের আস্থার জায়গায় আরও সুদৃঢ় করতে চাই: আইনমন্ত্রী ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তা বই ছাপায় অগ্রগতি, নভেম্বরেই শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের অনুভূতি জাপানে টয়োটার কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ১৬৩৩ টাকা

দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ অক্টোবর, ২০২৬,  12:11 PM

news image

গলার লকেটে মিলেছিল পরিচয়। এরপর ১১ দিনের অপেক্ষা শেষে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হলো কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তাকে।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের খান বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাদার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।


এর আগে সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।


মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার পুড়ে যাওয়া রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ থেকে মুক্তার দেহাবশেষ উদ্ধার করে পুলিশ। গলায় থাকা লকেট দেখে তার পরিচয় শনাক্ত করেন স্বামী দেওয়ান ফয়সাল।


১৭ অক্টোবর ইনানীর টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন মুক্তা। তিনি ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন তিনি।


অগ্নিকাণ্ডের পর অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হলেও মুক্তার সন্ধান মিলছিল না। ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মরদেহের মধ্যেও তার দেহাবশেষ ছিল না। প্রিয়জনের খোঁজে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল পরিবারের সদস্যদের। অবশেষে নতুন করে তল্লাশি চালিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয় তার দেহাবশেষ। এ ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১ জনে।


মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল অভিযোগ, শুরু থেকেই যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হলে হয়ত আরও আগেই তার সন্ধান পাওয়া যেত। উদ্ধারকাজে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম