ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ভারতে একের পর এক ঐতিহাসিক মসজিদ ভাঙার হিড়িক এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: ন্যায়বিচারে নতুন দিগন্ত বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্কছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র জেলা শহরে চালু হচ্ছে স্কুলবাস

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর, ২০২৪,  9:07 PM

news image

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দেশটির আইন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সামরিক আইন জারি এবং জনগণের চাপের মুখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা প্রত্যাহার করার পর অভিশংসনের মুখে পড়েন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টে বিরোধী দলের আনা প্রেসিডেন্টের অভিশংসন বিল খারিজ হয়ে গেছে। এরপরও নানামুখী চাপে রয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। এবার তার বিরুদ্ধে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা তদন্তের জন্য ২০২১ সালে একটি প্যানেল গঠন করা হয়। যদিও প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষমতা এই প্রতিষ্ঠানের নেই। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি শুনানিতে তদন্ত কমিটির প্রধান ওহ ডং-উন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। দেশটির আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বে সাং-আপ বলেন, প্রেসিডেন্টর বিরুদ্ধে দেয়া ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। গত ৩ ডিসেম্বর রাতে হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারি করেন ইউন। তার এই সিদ্ধান্ত বিরোধীদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ে। বিক্ষোভের মুখে সামরিক আইন বাতিল করতে বাধ্য হন ইউন। কিন্তু এরপর তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের দাবি ওঠে। পদত্যাগের দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ।

 সামরিক আইন জারির ঘটনায় ৭ ডিসেম্বর জাতির কাছে ক্ষমা চান ইউন। টেলিভিশনে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই দুঃখিত এবং সামরিক আইন জারির ঘটনায় আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। দেশে সামরিক আইন জারির মতো এমন ঘটনা আর কখনও হবে না।’ ক্ষমা চাওয়ার পরও এদিন পার্লামেন্টে অভিশংসন ভোটের আয়োজন করা হয়। তবে ইউনের দলের আইনপ্রণেতারা ভোট বয়কট করেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন মতে, প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের জন্য ২০০ আইনপ্রণেতার ভোটের প্রয়োজন। তবে ভোট পড়েছে মাত্র ১৯৫টি। ফলে অভিশংসন প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম