ঢাকা ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
‘আ. লীগের ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই’ বললেন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার ফিরোজ অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, ১ কর্মকর্তা আহত সাবেক এমপি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী মারা গেছেন বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট বাঁধনের ওপর হামলা ঘৃণ্য অপরাধ: রিজভী ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে, সেপ্টেম্বরের শেষে প্রকোপ সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের একগুচ্ছ কর্মসূচি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

ঢাকায় দূষণ কমে বায়ুমানের উন্নতি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ মার্চ, ২০২৩,  4:43 PM

news image

কয়েক মাস ধরেই বায়ু দূষণে বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল উপরে। তবে রাজধানীর বায়ুদূষণ এখন অনেকটাই কমে এসেছে। রবিবারের (১৯ মার্চ) বৃষ্টির কল্যাণে ঢাকার বায়ুর মানের উলেস্নখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তাই সোমবার (২০ মার্চ) স্বস্তিতে শ্বাস নিতে পেরেছে নগরবাসী। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোনো ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়। একিউআই সূচকে ৫০ এর নিচে স্কোর থাকার অর্থ হল বাতাসের মান ভালো। স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে বাতাসের মান গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়। স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ থাকলে সেই বাতাসকে 'স্পর্শকাতরদের জন্য অস্বাস্থ্যকর' বিবেচনা করা হয়। আর স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ থাকলে তা বিবেচনা করা হয় 'সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে। বায়ুর মান ২০১ থেকে ৩০০ পিএম হলে সেটাকে বিবেচনা করা হয় 'খুবই অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে। সুইজারল্যান্ডের বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষক সংস্থা একিউএয়ারের তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারি মাসেও অস্বাস্থ্যকর অবস্থা থেকে নামেনি ঢাকার বায়ু। বরং বেশ কয়েকদিনই ঢাকার বায়ুমান ছিল চরম অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে। যার ধারাবাহিকতা চলেছে মার্চেও। পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো: ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা। ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই দূষিত বাতাস নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। গ্রীষ্মকালে শহরটিতে বায়ুদূষণ শীর্ষে থাকলেও বর্ষায় অবস্থার উন্নতি দেখা যায়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম