ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর রাবিতে শিবির ও রাকসু নেতার মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯০৮ মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্র সোহান হত্যার দায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন পাগলী মা হয়েছে বাবা হয়নি কেউ ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জামায়াত এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান, সুনামি সতর্কতা জারি

টেকনাফে পাচারকালে অপহৃত ২২ জনকে উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৮ অক্টোবর, ২০২৫,  11:31 AM

news image

কক্সবাজারের টেকনাফের গহীন পাহাড়ি অরণ্য থেকে মুক্তিপণ আদায় ও মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ২২ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)।  টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ারঘোনা এলাকার করাচিপাড়া পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং ২১ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন। রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৭ জন শিশু। র‌্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল হাতিয়ারঘোনা করাচিপাড়ার দুর্গম পাহাড়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালায়। এসময় মুক্তিপণ আদায় ও জোরপূর্বক মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটক ২২ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় পাচারকারী চক্রের সদস্যরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। তবে ভিকটিমদের জবানবন্দি, গোয়েন্দা তথ্য ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ভিত্তিতে পাচারকারী চক্রের সদস্যদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। পালিয়ে যাওয়া পাচারকারী চক্রের সদস্যরা হলেন- লেঙ্গুর বিল করাচিপাড়া হাতিয়ারঘোনার মো. আহমদের ছেলে মো. খলিল (৪৫), তার ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২০), স্ত্রী জাহানারা (৪১), বশর হাজীর ছেলে আবদুল্লাহ মেম্বার (৩৫), কবির সদরের ছেলে আবদুল (২৬), আবদুস সালামের ছেলে আবদুর রশিদ (২৮), কবির সদরের আরেক ছেলে শহিদুল্লাহ (২২), মো. সোনা আলীর ছেলে ওসমান গণি (২৬) এবং আহমদ মিয়ার ছেলে ইয়াকুব (৩৫)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম মোবারক (১৭) জানান, গত ১৩ অক্টোবর বিকাল ৩টার দিকে কক্সবাজার সদরের কলাতলী এলাকা থেকে পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে সিএনজিযোগে অপহরণ করে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তিনি আরও জানান, তার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া অন্যান্য রোহিঙ্গাদেরও বিভিন্ন ক্যাম্প ও পথ থেকে অপহরণ করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে তাদের মালয়েশিয়ায় পাচারের হুমকি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ না পেয়ে পাচারকারীরা ভিকটিমদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়, কারও শরীরে সিগারেটের আগুনে পোড়ানো হয়, কারও আঙুলের নখ প্লায়ার্স দিয়ে তুলে ফেলা হয়। র‌্যাব জানায়, অপহৃতদের সবাই বর্তমানে নিরাপদে রয়েছে এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম